রবিবার, জুন ২৫, ২০১৭


Find us on

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বিদায় বার্সার

বার্সেলোনা ও মোনাকো, ২০ এপ্রিলঃ তিন গোলে পিছিয়ে থেকে ফিরে আসা কঠিনই ছিল, তাও আবার ফর্মে থাকা জুভেন্তাসের মতো দলের বিরুদ্ধে। তবুও সমর্থকরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। কারণ এই প্রি-কোয়ার্টারেই ০-৪ পিছিয়ে থেকেও ফিরতি লেগে ৬ গোল করেছিল বার্সালোনা। কিন্তু রূপকথা রোজ রোজ লেখা যায় না। তাই হিসাব কষে ফুটবল খেলে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বার্সেলোনার বিদায় নিশ্চিত করে দিল জুভেন্তাস। ন্যু ক্যাম্পে কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগের ম্যাচ শেষ হল গোলশূন্যভাবে। চার গোলে ম্যাচ জিততে হবে, এই পরিস্থিতিতে ঘরের মাঠে খেলতে নেমেছিল বার্সা। মেসি, সুয়ারেজ ও নেইমারকে সামনে রেখে ৪-৩-৩ ফর্মেশনে দল নামিয়েছিলেন লুইস এনরিকে। কিন্তু চেষ্টা করেও জুভেন্তাসের ডিফেন্সকে ভাঙতে পারেননি মেসিরা। ১৯ বার গোল লক্ষ্য করে শট নিলেও জুভেন্তাস গোলকিপার বুঁফোকে একবারের বেশি পরীক্ষার সামনে পড়তে হয়নি। তাদের পক্ষে বলার মতো ঘটনা একটাই, ৭০ মিনিটে স্যামুয়েল উমিটিটির শট বারে লেগে ফেরত আসা। বাকি সময় জর্জিও চিয়েলিনি, ড্যানি আলভেজদের টপকে জুভেন্তাসের বক্সে বিশেষ কিছু করে উঠতে পারেননি মেসিরা। ৮০ মিনিটে নেইমারের ক্রসে মাসচেরানোকে পা ছোঁয়ানোর সুযোগ দেননি জুভেন্তাসের গোলকিপার বুফোঁ। বরং বেশ কয়েকবার গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে ফেলেন কোয়াড্রাডো, হিগুয়াইনরা। নিটফল, গত মরশুমের মতো এবারও কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ বার্সেলোনার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিযান।

বুধবার অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে ঘরের মাঠে মোনাকো ৩-১ গোলে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে দিল। এই জয়ের ফলে দুই লেগে ৬-৩ গোলে ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে গেল মোনাকো। প্রথম লেগে ডর্টমুন্ডকে তাদের ঘরের মাঠে ৩-২ গোলে হারিয়েছিল মোনাকো। এদিন তাই দু গোলে জিততেই হত ডর্টমুন্ডকে। কিন্তু ৩ মিনিটেই মোনাকোকে এগিয়ে দেন এমবাপে। ১৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ফালকাও। ৪৮ মিনিটে ডর্টমুন্ডের হয়ে মার্কো রিউস ব্যবধান কমালেও, ৮১ মিনিটে জারমেইনের গোলে জয় নিশ্চিত করে ফরাসি ক্লাব। মঙ্গলবার রিয়াল মাদ্রিদের কাছে পরাজিত হয়েছিল বেয়ার্ন মিউনিখ। এদিন ডর্টমুন্ড হারায় এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে জার্মানির আর কোনো ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব থাকল না।