Find us on

ত্রাণ লুঠ রুখতে চলল লাঠি-গুলি
উত্তরবঙ্গ
মালদা

সামসী, ২২ আগস্টঃ গোডাউন লুঠ আটকাতে আজ সন্ধ্যা নাগাদ চাঁচল ২ ব্লক অফিসে শূন্যে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। আরও অভিযোগ, ত্রাণের দাবিতে উপস্থিত বানভাসিদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ। লাঠিচার্জের কথা স্বীকার করে নিলেও শূন্যে গুলিচালনার কথা অস্বীকার করেছে চাঁচল মহকুমা প্রশাসন। ঘটনাস্থলে পটকা ফাটার তত্ত্ব খাড়া করেছে চাঁচল মহকুমা পুলিশ প্রশাসন। ঘটনার প্রেক্ষিতে এদিন সন্ধ্যা থেকে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালতীপুর এলাকায়।

ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগে এদিন দুর্গতরা হাতে হাতে ত্রাণের সামগ্রী পেতে ব্লক অফিসে হাজির হন। প্রথমদিকে ব্লক প্রশাসন দুর্গতদের এই দাবিকে উড়িয়ে দেয়। সন্ধ্যা নাগাদ বানভাসি জামালপুর, হজরতপুর প্রভৃতি এলাকায় প্রায় ৭০০ দুর্গত সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেইসময় বিডিও সাইপা লামা ক্ষিপ্ত মানুষজনকে শান্ত হতে বলেন। তিনি আরও বলেন, উপস্থিত দুর্গতদের তালিকা তৈরি করা হবে। জানা গিয়েছে, বিডিও-র আশ্বাসে বিশ্বাস রাখতে পারেননি বন্যা দুর্গতরা। তাঁরা ব্লক অফিসের গোডাউনের তালা ভেঙে ভিতরে থাকা মালপত্র লুঠ করতে উদ্যত হন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ ও র‍্যাফ জওয়ানরা লাঠিচার্জ করে বন্যার্তদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। স্থানীয়দের বক্তব্য, শুধু লাঠিচার্জ করাই নয়, উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ শূন্যে ৩ রাউন্ড গুলিও চালায়।

মহকুমাশাসক দেবাশিস চ্যাটার্জি বলেন, ‘বন্যাদুর্গতরা গোডাউনের তালা ভেঙে ত্রাণসামগ্রী লঠ করার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করে। এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। তবে সেখানে গুলি চালানো হয়নি।

গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করেছেন চাঁচল মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সজলকান্তি বিশ্বাসও। তিনি বলেন, ‘উত্তেজিত জনতাকে নিরস্ত করতে হয়তো কেউ পটকা ফাটিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু সেখানে গুলি চালানো হয়নি।’

ছবিঃ ফাইল চিত্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *