Find us on

জিভে জল আনা তেঁতুলের কিছু জানা অজানা কথা
অন্যান্য
জীবনযাপন

উত্তরবঙ্গ সংবাদ পোর্টালঃ তেঁতুলের নাম শুনলে জিভে জল আসে না এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। কিন্তু তেঁতুলের গুণাগুণ অনেকেরই অজানা।

তেঁতুলের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল, ভিটামিন ও ডায়েটারি ফাইবার। তেঁতুল লিভার ও পুরো শরীর থেকে অতিরিক্ত ফ্যাট দূর করতে সাহায্য করে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে রান্নার অন্যতম উপাদান তেঁতুল। রসালো ও সুস্বাদু ফল তেঁতুল দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের রান্নাতেও প্রচুর ব্যবহৃত হয়। টাটকা কাঁচা তেঁতুল এক বছর রেখে দিলেও নষ্ট হয় না, গন্ধও থাকে অক্ষত।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে তেতুল অতুলনীয়।  শরীরে ভিটামিন, মিনারেল, গ্লাইকোজেনের মাত্রা ঠিক রাখতে কোনও অঙ্গই লিভারের বিকল্প হতে পারে না। তাই লিভার সুস্থ রাখা সুস্বাস্থ্যের প্রথম ধাপ তেঁতুল।

তেঁতুলের ক্কাথ পলিস্যাকারাইড বা ডায়েটারি ফাইবার যেমন টায়ারস, হেমিসেলুলোজ, পেকটিন, মিউকাস ও ট্যানিনের উত্কৃষ্ট উত্স। তেঁতুলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে। এই ফাইবার খাবারের টক্সিন শরীরে পৌঁছতে দেয় না।  কোলনকে টক্সিনের হাত থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়াও তেঁতুলে থাকে ওয়াইন অ্যাসি়ড, টার্টারিক অ্যাসিড। যা খুবই শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট। কপার পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি, নিয়াসিন, থিয়ামিন, ফলিক অ্যাসিড, রাইবোফ্লাভিনে ভরপুর তেঁতুল। এই সব ভিটামিনের অধিকাংশই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে।

এক লিটার জলে দু’মুঠো তেঁতুল দিয়ে ব্লেন্ডারে মশিয়ে তেঁতুল জল তৈরি করে নিন। সারাদিন ধরে এই তেঁতুল জল অল্প অল্প করে খেতে থাকুন। যদি স্বাদ ভাল না লাগে তা হলে অল্প মধু মেশাতে পারেন। তাই তেঁতুল খান সুস্থ থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *