Find us on

ভেস্তে গেল পরিকল্পনা, ধরা পড়ে পাত্রের ঠাঁই হল শ্রীঘরে
উত্তরবঙ্গ
জলপাইগুড়ি
প্রথম পাতা

জলপাইগুড়ি, ৮ ফেব্রুয়ারিঃ পরিকল্পনামতোই এগোচ্ছিল বিয়ের দিন। পাত্রী যেহেতু প্রাথমিক স্কুল শিক্ষিকা, তাই নিজেকে জুনিয়ার হাই স্কুলের শিক্ষক বলে পরিচয় দিয়েছিল যুবক। আবার পদবির সঙ্গে পুরপ্রধান মোহন বোসের পদবির মিল থাকায় তাঁকে আত্মীয় বলে পরিচয় দিয়েছিল সে। তবে এতকিছুর পরও শেষরক্ষা হল না। প্রতারণার দায়ে ঠাঁই হল শ্রীঘরে।

এখানে বলা হচ্ছে কোচবিহারের পাটাকুড়ার কালিকা দাস রোডের বাসিন্দা অনুপম বোসের কথা। একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী সে। বেশ কয়েক বছর ধরেই জলপাইগুড়ির ধাপগঞ্জ এলাকায় বাড়ি ভাড়া করে থাকত। কোতয়ালি থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার জানান, আশীর্বাদ এবং রেজেস্ট্রি হয়ে যাওয়ার কারণে ওই যুবককে সোনার চেন ছাড়াও আসবাবপত্র কেনার জন্য ১ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন পাত্রীপক্ষ। সমস্ত বিষয় নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে, যুবককে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।

জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি শহরের মহুরি পাড়া এলাকার বাসিন্দা ওই শিক্ষিকার সঙ্গে প্রথমে ওই যুবকের বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল ২৩ জানুয়ারি। পরে তা পিছিয়ে এপ্রিলের ৩০ করা হয়। কিছুদিন আগে অনুপম কোচবিহার থেকে পাত্রীকে ফোন করে জানায় তার ২৫ হাজার টাকার প্রয়োজন। টাকা না দিলে তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছে তারা। পরে অনুপমের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই ছেলেগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাকরি দেওয়ার নামে কয়েক বছর আগে অনুপম তার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে গা ঢাকা দেয়। এই ঘটনার পর সন্দেহ হওয়ায় অনুপমের কাছে পে স্লিপ চায় পাত্রী। অনুপম তা পাঠিয়েওছিল। এরপর সেটা নিয়ে পাতকাটা জুনিয়ার হাই স্কুলে খোঁজ নিতে গেলে মুখোশ খুলে যায় অনুপমের। এরপর বুধবার বিকেলে অনুপম পাত্রীর বাড়িতে গেলে এলাকার লোকেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। গতকালই প্রতারণার অভিযোগে কোতয়ালি পুলিশের হাতে তুলে দেয় অভিযুক্তকে।

সংবাদদাতাঃ দিব্যেন্দু সিনহা

 

ভেস্তে গেল পরিকল্পনা, ধরা পড়ে পাত্রের ঠাঁই হল শ্রীঘরে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *