রবিবার, মে ২৮, ২০১৭


Find us on

মিরিকের দখল নিল তৃণমূল, দার্জিলিং যাচ্ছে মোর্চার হাতেই

নিউজব্যুরো, ১৭ মেঃ প্রায় তিন দশক পর পাহাড়ে কোনো পুরসভায় ক্ষমতায় এল রাজ্যের শাসকদল। এককভাবে মিরিক পুরসভা দখল করল তৃণমূল কংগ্রেস। ৯টি ওয়ার্ডের মিরিক পুরসভায় সাতটি ওয়ার্ডে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল। বাকি দুটি ওয়ার্ড ছেড়েছিল জোটসঙ্গী জিএনএলএফ-কে। তৃণমূল প্রার্থীরা ছটি ওয়ার্ডেই জিতেছেন। জোটসঙ্গী জিএনএলএফ অবশ্য একটি আসনও পায়নি।

তৃণমূল প্রার্থীরা ২,৩,৫,৭,৮,৯ নম্বর ওয়ার্ডে। মোর্চার দখলে রয়েছে তিনটি ওয়ার্ড—১,৪,৬। তৃণমলের বিশাল জয়ের পর মিরিক পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা সুব্বা বলেছেন, এখনও ফল ঘোষণা হয়নি। তবে এই ফল প্রত্যাশিত ছিল না। মোর্টা নেতৃত্ব জানিয়েছেন, মিরিকে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে জনস্বার্থ আবেদন জানানো হবে আদালতে।

অন্যদিকে দার্জিলিং পুরসভার ৩২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩১ টি আসনে জয়ী মোর্চা প্রার্থীরা। ১ টিতে জয়ী তৃণমূল।

কালিম্পংয়ে ২৩টি ওয়ার্ডের ১৯টি ওয়ার্ডে মোর্চা, ২টি ওয়ার্ডে জাপ ও ২টি ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থীরা জিতেছেন। এখানে হরকাবাহাদুর ছেত্রি শেষপর্যন্ত প্রভাব ফেলতে পারেননি। কার্সিয়াংয়ে ২০টি ওয়ার্ডের মধ্যে মোর্চা ১৭টি এবং তৃণমূল ৩টিতে জিতেছে।  রাজনৈতিক মহল বলছে, একটি পুরসভা দখল ও বাকি প্রত্যেকটি পুরসভায় প্রতিনিধি পাঠিয়ে তৃণমূল পাহাড়ে তাদের উপস্থিতি ঘোষণায় দারুণভাবে সফল। আগামী ভোটে আরও কড়াভাবে তারা মোর্চাকে চ্যালেঞ্জ জানাবে।

সমতলে পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠলেও প্রত্যাশিতভাবেই ভালো ফল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। পূজালি পুরসভা তৃণমূলের দখলে গিয়েছে। এখানে ১৬টি আসনের মধ্যে ১২টিই তাদের দখলে। বিজেপি পেয়েছে দুটি, কংগ্রেস একটি ও অন্যান্য একটি। ডোমকলে ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টি তৃণমূলের দখলে। বামেরা দুটি ও কংগ্রেস একটি আসন পেলেও তাদের জয়ী দুই প্রার্থী ফল ঘোষণার পরই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। রায়গঞ্জেও ঘাসফুলের একচ্ছত্র প্রতাপ। এখানে ২৭টি আসনের মধ্যে ২৪টিই তাদের দখলে। বিজেপি একটি ও কংগ্রেস দুটি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে।