Find us on

নাতনিকে ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচাতে খুন ঠাকুরদা
উত্তর দিনাজপুর
উত্তরবঙ্গ
শিরোনাম

রায়গঞ্জ, ১২ সেপ্টেম্বরঃ নাতনির সম্মান বাঁচাতে গিয়ে হাঁসুয়ার কোপে মৃত্যু হল ঠাকুরদার। মঙ্গলবার গভীর রাতে করণদিঘি থানার বদল কাঠি এলাকার গর্দনকাটা গ্রামের ঘটনা। মৃত ব্যক্তির নাম তাজেবুল হক। ওই প্রৌঢ়কে লক্ষ্য করে হাঁসুয়ার কোপ মারার পাশাপাশি পেটে ধারালো অস্ত্র ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এদিকে স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে আট মাসের শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে দুষ্কৃতীকে আটকাতে গিয়ে তার এলোপাতাড়ি ভাবে হাঁসুয়ার কোপ মারে তাজেবুলের স্ত্রী সান্ধারি বিবি ও কোলের সন্তান পারভেজ আলম।

এদিকে দুষ্কৃতীকে আটকাতে গেলে গলার নলি কেটে দেওয়া হয় নাতনি সামিনা খাতুনেরও(১৩)। তাদের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে পরিবার পরিজনেরা আসতেই সেখান থেকে গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত আলি হোসেন। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। এদিন সকালে সান্ধারী বিবি, আট মাসের শিশু সন্তান পারভেজ আলম, সামিনা খাতুনের অপারেশন হয় রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। বর্তমানে রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ফিমেল সার্জিক্যাল বিভাগে চিকিৎসাধীন। কিছুক্ষণ আগে আট মাসের পারভেজের মৃত্যু হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় করণদিঘি থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেয় রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। মৃতের ছেলে আবেদুর রহমান বলেন, তাঁর বাবা-মা ভাইকে নিয়ে ঘরে শুয়ে ছিলেন। পাশের ঘরে মেয়ে সামিনা খাতুন ঘরে একাই শুয়ে ছিল। এলাকারই এক যুবক আলি হোসেন মেয়ের ঘরে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। সামিনার চিৎকারে ঠাকুরদা উঠে এসে অভিযুক্ত যুবককে ধরে ফেলে। এরপরই আক্রমণ করে ওই যুবক। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে করণদিঘি থানার পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার সুমিত কুমার বলেন, অভিযুক্ত পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে। মৃতের পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

সংবাদদাতাঃ বিশ্বজিৎ সরকার

 

নাতনিকে ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচাতে খুন ঠাকুরদা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *