Find us on

একমাত্র মেয়ের মরণোত্তর অঙ্গদান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন দম্পতির
দক্ষিণবঙ্গ
শিরোনাম

কলকাতা, ৮ নভেম্বরঃ একমাত্র মেয়ের মৃত্যুর পর মরণোত্তর অঙ্গদান করে দৃষ্টান্ত গড়লেন দম্পতি। সময় নষ্ট না করে তাঁরা দান করলেন মেয়ের কিডনি, হার্ট এবং চোখ।

জানা গিয়েছে, গত ৪ নভেম্বর ব্রেনে জল জমার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় সোনারপুরের দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা ২৫ বছরের দেবলীনা ঘোষকে। জন্ম থেকেই তাঁর ব্রেনের সমস্যা ছিল। চিকিত্সকদের অনেক চেষ্টার পরও সুস্থ করা যায়নি। তাঁকে ব্রেন ডেড ঘোষণা করার আগেই পরিবার সিদ্ধান্ত নেয় অঙ্গ দানের। দীপাবলির দিন ঢাকুরিয়ায় আমরি হাসপাতালে মৃত্যু হয় দেবলীনার। এরপরই দেরি না করে দেবলীনার হার্ট প্রতিস্থাপন করা হয় বহরমপুরের তনয়া পণ্ডিতের শরীরে। অন্যদিকে তাঁর একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় হুগলির ধনেখালির বাসিন্দা অনিতা ঘোষের দেহে। অপর কিডনিটি পান হুগলির পাণ্ডুয়ার তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী কেয়া দাঁ। লিভার পাওয়ার কথা ছিল বারুইপুরের বাসিন্দা জয়প্রতিম ঘোষের। কিন্তু দেবলীনার লিভার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেটি প্রতিস্থাপন করা যায়নি। আপাতত শঙ্কর নেত্রালয়ের আই ব্যাঙ্কে রাখা হয়েছে দেবলীনার চোখ।

দেবলীনার বাবা অরুণ ঘোষ জানিয়েছেন, ‘মঙ্গলবার রাতেই ডাক্তাররা জানিয়ে দিয়েছিলেন মেয়ের বাঁচার আশা প্রায় নেই। সেই কষ্টের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিই মেয়ের অঙ্গ দান করব। তাতে কিছু মানুষের প্রাণ তো বাঁচানো যাবে। আর তাঁদের মধ্যেই কোথাও না কোথাও আমার মেয়ে বেঁচে থাকবে। এর চেয়ে বেশি আর কি বা চাইতে পারি আমি।’

একমাত্র মেয়ের মরণোত্তর অঙ্গদান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন দম্পতির

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *