Find us on

পুলিশের গুলিতে ২ আন্দোলনকারীর মৃত্যু, অগ্নিগর্ভ পাহাড়ে ফের সেনা নামল
উত্তরবঙ্গ
দার্জিলিং
শিরোনাম

দার্জিলিং ব্যুরো, ৮ জুলাইঃ রণক্ষেত্র দার্জিলিংয়ে পুলিশের গুলিতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠল। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠায় সেনা তলব করে জেলা প্রশাসন। বিকেল তিনটে নাগাদ লেবং থেকে সেনাবাহিনী এসে দার্জিলিং শহর রুটমার্চ শুরু করে।

শুক্রবার রাত এগারোটা নাগাদ সোনাদায় দার্জিলিংগামী গাড়ি আটকে কয়েকজন যুবক ভাঙচুর করার সময় পুলিশ বাধা দেয়। সেই সময় উন্মত্ত যুবকরা পুলিশকে আক্রমণ করে বসলে পুলিশ গুলি চালায়। সেখানেই মৃত্যু হয় জিএনএলএফ কর্মী তাশি ভুটিয়ার।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে সোনাদা। সকালেই তাশির মৃতদেহ নিয়ে মিছিল বের হলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায়। এরপর পরিস্থিতি আরও উতপ্ত হয়ে ওঠে। সোনাদা থানায় আগুল লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভরত মোর্চা ও জিএনএলএফ কর্মীরা। আগুন লাগানো হয় সোনাদা স্টেশন, ট্রাফিক পুলিশ পোস্টে। ভাঙচুর করা হয় খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের অফিসে। এলাকায় কার্যত তাণ্ডব চালায় দুই দলের কর্মী সমর্থকরা। বেলা বাড়তেই সোনাদার গণ্ডগোলের আঁচ ছড়িয়ে পড়ে গোটা পাহাড়েই। দার্জিলিংয়ে দুপুরে ডিএসপি সদর-এর অফিস ভাঙচুর করে একটি গাড়ি রাস্তায় উলটে ফেলে দেয় আন্দোলনকারীরা। ভাঙচুর করা হয় শহরের বিভিন্ন জায়গায় লাগানো সিসি টিভি ক্যামেরাগুলিতে। দার্জিলিং শহরে তাণ্ডব চলার সময় উত্তেজিত বন্‌ধ সমর্থকরা সদর থানা ঘেরাও করে ভাঙচুর চালাতে শুরু করে। পুলিশ আবার শূন্যে গুলি চালায়। অভিযোগ সেই গুলিতেই মারা যান সুরজ সুনদাস (৩৫)। এই ঘটনার গোটা পাহাড়ের পরিস্থিতি আরও ঘোরাল হয়ে ওঠে। বিকেলে গোরুবাথানে বন উন্নয়ন নিগমের অফিস পুড়িয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় নিগমের গাড়িতেও।

ছবিঃ  সোনাদায় জ্বলছে ট্রাফিক পুলিশের চৌকি (বাঁ-দিকে), চকবাজারে ক্ষিপ্ত জনতা গাড়ি ভাঙচুর করে উলটে দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *