Find us on

প্রসূতিকে অন্যত্র রেফার করা নিয়ে উত্তেজনা রায়গঞ্জ হাসপাতালে
উত্তর দিনাজপুর
উত্তরবঙ্গ

রায়গঞ্জ, ৬ আগস্টঃ অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় এক গর্ভবতী মহিলাকে রেফার করা হয়েছিল অন্য হাসপাতালে। এনিয়ে মঙ্গলবার রাত ১টা নাগাদ রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা দেখা দেয়। মারধর করা হয়েছে হাসপাতালে নার্স ও জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত কর্মীকে। ঘটনার খবর পেয়ে আসে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। জরুরী বিভাগ থেকে অভিযুক্ত এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের নাম সনু দাস। বাড়ি সুভাষগঞ্জ এলাকায়।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কৃষ্ণা সাহা(২১) রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে চিকিৎসক কেসি ব্যানার্জীর অধীনে ভরতি হয়। ওই গৃহবধূর বাড়ি রায়গঞ্জ শহরের সুভাষগঞ্জ এলাকায়। ওই গর্ভবতী মহিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে মালদা মেডিকেল কলেজে রেফার করে। কেন তাকে রেফার করা হলো এই অভিযোগ তুলে প্রসূতি বিভাগের নার্সকে মারধর করা হয়। এরপর জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত কর্মীদের পাশাপাশি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। সমস্ত অভিযোগ রোগীর পরিজনদের বিরুদ্ধে। এই গন্ডগোলের নেপথ্যে ছিলেন কৃষ্ণা দেবীর স্বামী মিঠুন সাহা।

এদিন দুপুরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সহ রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে অভিযোগ দায়ের করেছেন হাসপাতাল সুপার গৌতম মন্ডল। গৌতম বাবু বলেন, রাতে রোগীর পরিজনেরা কর্তব্যরত নার্সদের মারধর করে অস্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে মোবাইল ছিনতাই করেছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সুপার শ্যাম সিং বলেন, একজন গ্রেপ্তার হয়েছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে বাকিদের চিহ্নিত করে ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও ছিনতাই হওয়া মোবাইল এখনো উদ্ধার করতে পারেনি রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পুলিশি টহল একান্ত জরুরি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *