রবিবার, মে ২৮, ২০১৭


Find us on

প্রয়াত অভিনেতা বিনোদ খান্না

মুম্বই, ২৭ এপ্রিলঃ একসময়ের বলিউড কাঁপানো সুদর্শন নায়ক বিনোদ খান্না। ক্যানসার হয়েছিল তাঁর। মূত্রথলিতে ক্যানসারের ছোবলে শেষদিকে চেনাই যেত না তাঁকে। ভয়ংকর ডিহাইড্রেশনের জন্য তাঁকে মুম্বইয়ের এইচএন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হসপিটাল ও রিসার্চ সেন্টারে ভরতি করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানেই থামল হৃদস্পন্দন। বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। পাঞ্জাবের গুরদাসপুরের বিজেপি সাংসদ বিনোদ খান্নার মৃত্যু নিয়ে হাসপাতালের তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্যানসারই কেড়ে নিয়েছে বলিউড অভিনেতাকে। শিল্পীর মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে বন্ধ রাখা হয়েছে ‘বাহুবলি’র সিক্যুয়েল প্রিমিয়ার।

সাতের দশকের হার্টথ্রব বিনোদ খান্নার শরীরে থাবা বসিয়েছিল ক্যানসার। গত ৬ এপ্রিল তাঁর অসুস্থ জীর্ণ কঙ্কালসার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। কিন্তু পরিবারের তরফে জানানো হয় ডিহাইড্রেশনের জন্য ভরতি করা হয়েছিল কিন্তু সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি। তখনই গুজব রটেছিল তাঁর ক্যানসার হয়েছে। কিন্তু সেবিষয়ে কোনো বিবৃতি মেলেনি পরিবারের তরফে।

১৯৪৬ সালের ৬ এপ্রিল অবিভক্ত ভারতের পেশোয়ারে জন্মগ্রহণ করেন বিনোদ খান্না। একসময়ে পর্দায় অমিতাভ বচ্চনের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিনোদ কান্না। সিলভার স্ক্রিনে তাঁর অভিনীত প্রথম ছবি ‘মন কা মিত’ (১৯৬৮)। প্রথম ছবিতে নেগেটিভ রোলে অভিনয় করেন। নায়ক হিসাবে প্রথম ছবি হাম তুম আউর ও। তারপর থেকে ১৪১ টি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বিনোদ খান্না অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছায়াছবি হল মেরে আপনে, মেরে গাঁও মেরে দেশ, কাচ্চে ধাগে, অমর আকবর অ্যান্টনি। ব্লকবাস্টার ‘দাবাং’-এ অভিনীত চুলবুল পান্ডের বাবার ভূমিকায় তাঁর অভিনয় এখনও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল। একাধিক পুরস্কারের পাশাপাশি ফিল্ম ফেয়ার লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ১৯৯৯ এ।

বিজেপি প্রার্থী হিসাবে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরের সাংসদ ছিলেন বিনোদ খান্না। রেকে গিয়েছেন দুই পুত্র রাহুল ও অক্ষয় এবং দুই কন্যা শ্রদ্ধা ও সাক্ষী। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া গোটা বলিউডে।