মুম্বই: সুযোগের সদ্ব্যবহার। ভালো শুরুর পর স্বপ্নের ইনিংস। সুযোগ হাতছাড়ার বদভ্যাস ঝেড়ে ৫৪ বলে ১৩৫ রানের রূপকথার ব্যাটিং। ম্যাচের সেরা পুরস্কার নিতে এসে অভিষেক শর্মার মুখে ‘মেন্টর’ যুবরাজ সিংয়ের কথা। বিশ্বাস, আজকের ইনিংসটা দেখে খুশি হবেন যুবি পাজি।
সেরার পুরস্কার হাতে অভিষেক বলেছেন, ‘সহজে যেন উইকেট না দিই। ক্রিজে জমে গেলে ইনিংস যেন ১৫-২০ ওভার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাই। সবসময় একথা বলেন। আজ নিশ্চয় খুশি যুবি পাজি।’


প্রথম বল থেকেই লক্ষ্য স্থির। জোফ্রা আর্চার, মার্ক উডদের ১৪০-১৪৫ কিলোমিটার গোলাগুলির জবাব দিচ্ছিলেন একেবারে মাঝব্যাট দিয়ে। একঝাক রেকর্ড ভাঙা ইনিংসের উচ্ছ্বাস নিয়ে অভিষেক বলেছেন, ‘স্পেশাল ইনিংস। আরও ভালো লাগছে দেশের হয়ে ইনিংসটা খেলতে পেরে। মন বলছিল দিনটা আমার। প্রথম বল থেকেই সেই প্রয়াস ছিল।’
শুরু থেকেই ব্যাট ঘোরানোর স্বাধীনতা দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞ গৌতম গম্ভীর, সূর্যকুমার যাদবের কাছেও। অভিষেক বলেছেন, ‘প্রথম দিন থেকে কোচ, অধিনায়কও সহজাত ব্যাটিংয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে। আমাকে যা ভীষণভাবে সাহায্য করেছে।’
শটের ফুলঝুরি। ম্যাচের হাইলাইটস ভেবে ভুল হতে পারে। বিপজ্জনক আর্চারকে মারা কভারের ওপর দিয়ে ছক্কায় তৃপ্তির কথা অভিষেকের গলায়। তবে বেশি পছন্দ আদিল রশিদকে মারা ছক্কায়। একইসঙ্গে ঝরে পড়ল যুবি পাজির পরামর্শমাফিক সবুজ গালিচা চিরে ছুটে যাওয়া গ্রাউন্ডশট মারার খুশিও। অভিষেকের যে ইনিংসকে নিজের দেখা অন্যতম সেরা আখ্যা দিলেন স্বয়ং জস বাটলারও।

