উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ রাত পোহালেই ভোট বহরমপুরে। আর তার ঠিক আগেই মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে। খবর পেয়ে সেখানে যান কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। সেখানে গিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কংগ্রেস প্রার্থী। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়তেও দেখা যায় অধীরকে। অধীরের অভিযোগ, কংগ্রেস করার অপরাধে এক মহিলার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। এই ঘটনার দায় তৃণমূলের ঘাড়েই চাপিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
কংগ্রেসের অভিযোগ, শনিবার রাতে কিছু মদ্যপ যুবক মহিলাদের হুমকি দিয়ে বলে, কংগ্রেস করলে তাদের আবাসনে থাকতে দেওয়া হবে না। মহিলারা তার প্রতিবাদ করলে তার মধ্যে একজনের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে সেখানে রাতেই ছুটে যান অধীর চৌধুরী। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশও। পুলিশের এক অফিসার নির্যাতিতা মহিলার বয়ান নিলেও তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অধীর চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, নিয়ম অনুযায়ী একজন নির্যাতিতার ক্ষেত্রে মহিলা পুলিশ থাকা উচিত। কিন্তু, ওই পুলিশ অফিসার নির্যাতিতা একা ঘরে ঢুকিয়ে বয়ান নিয়েছেন।


অধীর জানান, কংগ্রেস বহরমপুর পুরসভায় থাকাকালীন কেন্দ্রীয় আবাস যোজনায় এলাকার দরিদ্র মানুষদের জন্য ১০-১২ হাজার টাকা বিনিময়ে ঘরবাড়ি দেওয়া হয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেস হল জমি হাঙর। সেই আবাসনের উপরে এখন তাদের নজর পড়েছে। তৃণমূল তাদের উচ্ছেদ করতে চাইছে। সন্ধ্যা হলেই সেখানে তৃণমূলের মাতালদের উপদ্রব বাড়ছে। সেখানকার মহিলাদের কটুক্তি করছে। এমনকী উচ্ছেদ করার হুমকি দিচ্ছে। ভোট আসতেই সেখানে তাদের উপদ্রব বেড়ে গিয়েছে। অধীরের অভিযোগ, তিনি সেখানে গেলে পুলিশ তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। সামগ্রিক ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বহরমপুর থানায়। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকেও জানানো হয়েছে বলে অধীর জানিয়েছেন।

