উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ আরও এক চিতার মৃত্যু হল মধ্যপ্রদেশের কুনোর জঙ্গলে। বৃহস্পতিবার এই চিতাশাবকটিকে ছাড়া হয়েছিল জঙ্গলে। শুক্রবার মৃত চিতার দেহটি উদ্ধার করেন বনকর্মীরা। কী কারণে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটল তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তবে কুনো জাতীয় উদ্যানে চিতার মৃত্যুর ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেই বেশ কয়েকটি চিতা এবং চিতার শাবকের মৃত্যু হয়েছে সেখানে।
বৃহস্পতিবার ছিল আন্তর্জাতিক চিতা দিবস। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বীরা নামে একটি স্ত্রী চিতা এবং তার দুই শাবককে কুনো জাতীয় উদ্যানে ছাড়েন। শুক্রবার বিকেলে জঙ্গলে টহল দেওয়ার সময় বনকর্মীদের নজরে আসে একটি চিতাশাবকের দেহ। এক বনাধিকারিক জানিয়েছেন, শাবকটি মা চিতা বীরার সন্তান। মৃত শাবকটির বয়স ১০ মাস। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, রাতে মায়ের কাছে থেকে দু’টির মধ্যে একটি শাবক আলাদা হয়ে পড়েছিল। কিন্তু কী কারণে শাবকটির মৃত্যু হল তা স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া শাবকের দেহটিকে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
তবে বনদপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, বীরা এবং তার দুই শাবক সুস্থ এবং সবলই ছিল। সেগুলির শারীরিক পরীক্ষার পরেই ছাড়া হয় জঙ্গলে। তার পরেও কী ভাবে শাবকের মৃত্যু হল, তা নিয়ে রহস্য ঘনাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে নামিবিয়া থেকে পাঁচটি স্ত্রী এবং তিনটি পুরুষ চিতা আনা হয়েছিল কুনো জাতীয় উদ্যানে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আরও ১২টি চিতা আনা হয়েছিল কুনোয়। তার পর থেকে সুরজ, শৌর্য, তেজস, শাশা এবং নভা-সহ কয়েকটি চিতার মৃত্যু হয়। কুনোতে এই মুহূর্তে ২৮টি চিতা রয়েছে। তার মধ্যে আটটি পূর্ণবয়স্ক (৫টি স্ত্রী এবং ৩টি পুরুষ চিতা)। আর শাবকের সংখ্যা ২০। প্রতিটি চিতাই সুস্থ এবং সবল বলে জানিয়েছেন কুনো জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ।

