কিশনগঞ্জ: ভারতের আভ্যন্তরীন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বরাবরই বিশেষ স্পর্শকাতর জায়গা উত্তরবঙ্গের চিকেনস নেক। চিকেন নেকের নিরাপত্তা বাড়াতে বিহারের কিশনগঞ্জ, অসমের ধুবড়ি ও উত্তরবঙ্গের চোপরায় নতুন আর্মিবেস বা গ্যারিসন নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। জমি অধিগ্রহণের কাজও শুরু হয়েছে এই জায়গাগুলিতে। কিশনগঞ্জে প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঘাঁটি নির্মাণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে সংখ্যালঘুদের একাংশ।
কিশনগঞ্জ জেলার কোচাধামন ও বাহাদুরগঞ্জ এলাকায় সৎভিটা, সকৌর ও নাটুয়া পাড়া মৌজায় সেনাঘাটি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। এই এলাকায় ইতিমধ্যেই জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। এলাকার কৃষকরা জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক ও ডিএলআরওকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই এলাকায় উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে ২৫০ একর কৃষিজমি প্রস্তাবিত গারিসনের জন্য অধিগ্রহনের প্রস্তুতি পর্ব শুরু হয়েছে। এলাকার কৃষকদের বক্তব্য, জমি অধিগ্রহণ হলে ছোটবড় কৃষকরা ভূমিহীন ও বেকার হয়ে যাবে। এছাড়া, প্রস্তাবিত অধিগৃহীত জমির মধ্যে রয়েছে কবরস্থান, মসজিদ ও ইদগাহ। তাঁদের এই জমি সরকার অধিগ্রহন করলে শ’য়ে শ’য়ে কৃষক ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে বাধ্য হবে। অনিচ্ছুক জমিদাতাদের দাবি, বিহার সরকারের কাছে প্রচুর পরিমানে অব্যাবহৃত জমি বিভিন্ন এলাকায় আছে। সেই জমি অধিগ্রহন করে গ্যারিসন বা সেনাঘাঁটি নির্মাণ করা হোক।

