Friday, July 19, 2024
Homeরংদার রোববারবিবিধগান্ধি থেকে সুভাষ

গান্ধি থেকে সুভাষ

  • অর্ক ভাদুড়ি

ট্রাফলগার স্কোয়ারের সামনে যুদ্ধবিরোধী বিরাট জমায়েতের সামনে বক্তৃতারত জেরেমি করবিন বলছিলেন, তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধি। মহাত্মার অহিংসার বাণী করবিন প্রথম শুনেছিলেন স্কুলে পড়ার সময়। তখন থেকেই তিনি গান্ধিতে আকৃষ্ট। বড় হয়ে যখন একটু একটু করে জড়িয়ে পড়লেন ব্রিটেনের লেবার পার্টির রাজনীতিতে, পড়তে শুরু করলেন গোটা বিশ্বের রাজনৈতিক চিন্তকদের লেখাপত্র, তখন আরও বেশি করে উপলব্ধি করলেন যে, মহাত্মার অহিংসার আদর্শ আধুনিক বিশ্বের রাজনীতিতে কতখানি গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু তো লেবার পার্টির হয়ে দু’বার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করবিন নন। সমকালীন বিশ্বের আরও বহু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতার কাছে মহাত্মা অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ একজন চিন্তক। দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তিশালী রাজনৈতিক দল ইকনমিক ফ্রিডম ফাইটার্স বা ইএফএফ। এই দলের নেতা জুলিয়াস মালেমা ছিলেন আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের (এএনসি) যুব সংগঠনের শীর্ষনেতা৷ পরে এএনসির নেতৃত্বের সঙ্গে বিরোধের প্রেক্ষিতে তিনি দল ছেড়ে দেন৷ তৈরি করেন নতুন দল ইএফএফ। মালেমাও মনে করেন, গান্ধি সমকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সাক্ষাৎকারে মালেমাকে প্রশ্ন করেছিলাম, ঘোষিত মার্কসবাদী হয়েও তিনি কেন গান্ধি অনুরাগী? মালেমা উত্তর দিয়েছিলেন, ‘হিংসা এবং যুদ্ধে দীর্ণ পৃথিবীর বুকে সমাজকে আরেকটু সুন্দর করে সাজাতে গান্ধির চিন্তার বিকল্প নেই৷ ঠিক যেমন এখন, এই একুশ শতকের একমেরু বিশ্বে আরও বেশি করে প্রয়োজন জওহরলাল নেহরুর রাষ্ট্রচিন্তা। প্রয়োজন এমন একটি রাষ্ট্রজোট গড়ে তোলা, যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটোর সঙ্গে যেমন থাকবে না, ঠিক তেমনই রাশিয়া-চিনের প্রভাব বলয়ের বাইরেও অবস্থান করবে।’

একটা সময় ছিল, যখন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বসভায় রীতিমতো মর্যাদার আসনেই প্রতিষ্ঠিত ছিল৷ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী যখন বিদেশ সফর করতেন, তখন তাঁকে নিয়ে আগ্রহ থাকত তুঙ্গে৷ রাজপথের দু’ধারে জমায়েত হয়ে বিপুল জনতা তাঁকে অভিনন্দিত করত। আর গান্ধিজির কথা তো একেবারেই স্বতন্ত্র। তিনি যে বিশ্ব রাজনীতিকে কতখানি প্রভাবিত করেছেন, তা নিয়ে এদেশে গণপরিসরে প্রায় কোনও চর্চাই নেই। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনাপর্বের কথা আমরা অনেকেই জানি৷ দক্ষিণ আফ্রিকার একটি ট্রেনে বৈধ প্রথম শ্রেণির টিকিট থাকা সত্ত্বেও তাঁকে ঘাড়ধাক্কা খেতে হয়৷ তারপরই অহিংস সত্যাগ্রহ শুরু করেন গান্ধি৷ এর বছর তিনেক পরে তিনি আমূল বদলে দেবেন ভারতীয় রাজনীতিকে৷ তাকে গণসম্পৃক্ত করবেন। শুরু হবে গান্ধি যুগ৷ ১৯৪৮ সালে সন্ত্রাসবাদীর গুলিতে তিনি খুন হওয়ার পরেও সেই যুগের অবসান হবে না৷ কারণ তাঁর প্রভাব আরও বহুদিন থাকবে ভারতীয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।

বর্ণবাদের বিরুদ্ধে গান্ধি যে সংগ্রামের সূচনা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায়, বহু দশক পরে, ১৯৯৪ সালে সেই সংগ্রামের সফল পরিণতি বর্ণবাদ মুক্ত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিষ্ঠা৷ এই সংগ্রামের মুখ্য নায়ক নেলসন ম্যান্ডেলা বিরাটভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন গান্ধির আদর্শে। গান্ধি দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম জাতীয় নায়ক। খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও তাঁর প্রভাব অনস্বীকার্য৷ কিংবদন্তি মার্টিন লুথার কিং জুনিয়ার মার্কিন মুলুকে কালো মানুষদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে হাতিয়ার হিসাবে তুলে নিয়েছিলেন গান্ধির আদর্শ। নোবেল পাওয়ার পরও তিনি বলেছেন, মহাত্মার আদর্শ তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। তানজানিয়ার জুলিয়াস নেইয়েরে, মায়ানমারের আং সান সুকি, ইংল্যান্ডের হোরাস আলেকজান্ডার, ফিলিপিন্সের কার্ডেনাল জেইমে সিনের মতো নেতারা বারবার করে বলেছেন তাঁদের রাজনৈতিক ভাবনায় মহাত্মা কতখানি গুরুত্বপূর্ণ! পোল্যান্ডে তথাকথিত কমিউনিস্ট শাসন, যা আসলে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের পুতুল সরকার, তার পতন ঘটিয়েছিল ‘সলিডারিটি’ আন্দোলন৷ গোটা বিশ্ব নাড়িয়ে দেওয়া এই আন্দোলনের নায়ক তথা পরবর্তীকালের পোলিশ প্রেসিডেন্ট লেস ওয়ালেসা বলেছিলেন, তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার নির্মাণ ও বিকাশে মহাত্মার গুরুত্ব অপরিসীম। একটি ছোট্ট তথ্য থেকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মহাত্মার গুরুত্ব বোঝা যায়, ভারতের বাইরে ৭০টির কাছাকাছি দেশে তাঁর মূর্তি রয়েছে।

শুধু তো মহাত্মা গান্ধি নন। আরও একঝাঁক ভারতীয় রাজনৈতিক নেতা গোটা বিশ্বকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছেন, প্রভাবিত করেছেন৷ জওহরলাল নেহরু, সুভাষচন্দ্র বসু, ইন্দিরা গান্ধি তো বটেই, এছাড়াও একটি পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন মানবেন্দ্রনাথ রায়, যাঁর আসল নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য৷ সুভাষচন্দ্র যতদিন ভারতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন, ততদিন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তিনি তেমন কোনও বড় নাম ছিলেন না৷ যদিও বিক্ষিপ্তভাবে তৎকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ কুশীলবদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। ‘রেড ভিয়েনার’ হাউজিং প্রকল্পের রূপকারদের সঙ্গে তাঁর নিবিড় সংযোগ ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সুভাষচন্দ্র হয়ে উঠলেন প্রকৃত অর্থেই আন্তর্জাতিক রাজনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। জার্মানিতে তাঁর প্রভাব ছিল সীমিত৷ কিন্তু জাপান সহ এশিয়ার রাজনীতিতে তাঁর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। জাপানে কেবল আমলাতন্ত্র বা শাসকরাই নন, ‘সুভাষচন্দ্র বোসে’র প্রতি গভীর শ্রদ্ধা পোষণ করতেন আপামর জনসাধারণ। ভবানীপুরের বসু পরিবারের ছেলে বার্মার বিস্তীর্ণ অংশ ব্রিটিশ শাসনমুক্ত করেছিলেন, আন্দামান নিকোবরে স্বাধীনতার পতাকা তুলেছিলেন তো বটেই, হয়ে উঠেছিলেন সূর্য না ডোবা ব্রিটিশ শাসকের পয়লা নম্বর শত্রু। সংক্ষিপ্ত একটি সময়ে যখন ইটালি, জার্মানির পর জাপানও আত্মসমর্পণ করেছে, তখন ব্রিটিশ নেতৃত্বাধীন মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে একমাত্র প্রতিরোধী শক্তি ছিল সুভাষের আজাদ হিন্দ ফৌজ। এ খুব কম কথা নয়!

সুভাষচন্দ্রেরই সমসাময়িক ছিলেন জওহরলাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে, ভারত যখন স্বাধীনতালাভের দোরগোড়ায়, সেই সময় থেকেই তাঁর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্থান। স্বাধীনতার পর তো নেহরু প্রকৃত অর্থেই বিশ্বনেতা। জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম কান্ডারি৷ এখন কোনও ভারতীয় রাষ্ট্রনেতা নিজেকে ‘বিশ্বগুরু’ বলে দাবি করলে নেহরুর কথা মনে পড়ে, যাঁকে হয়তো প্রকৃত অর্থেই বিশ্বগুরু বললে অত্যুক্তি হত না৷ রুশ বনাম মার্কিন বিরোধে যখন গোটা বিশ্ব দ্বিধাবিভক্ত, তখন পৃথিবীর অনেকগুলি দেশকে একটি ছাতার তলায় নিয়ে এসে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন গড়ে তোলা খুব সহজ ছিল না৷ কমনওয়েলথেও ভারত ছিল গুরুত্বপূর্ণ শরিক। এটিও নেহরুর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তীব্র ব্রিটিশ বিরোধিতার কারণে কংগ্রেসের বিরাট অংশের নেতৃত্ব কমনওয়েলথে না থাকার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন, কিন্তু নেহরু চাননি এই মঞ্চটি পাকিস্তানের জন্য খোলা মাঠে পরিণত হোক৷ প্যালেস্টাইন প্রসঙ্গেও নেহরুর অবস্থান দীর্ঘস্থায়ী ভারত-আরব মৈত্রী গড়ে তুলেছে। বস্তুত নেহরুর কারণেই ভারত বিশ্বের বিরাট অংশের কাছে স্বাভাবিক নেতায় পরিণত হয়েছিল৷ ১৯৬২ সালের চিন-ভারত যুদ্ধের ফলাফলও এই আন্তর্জাতিক মর্যাদাকে পুরোপুরি ক্ষুণ্ণ করতে পারেনি।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ইন্দিরা গান্ধিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অন্যতম সফল ভারতীয় চরিত্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে৷ দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মাত্র ৯ বছর আগে যুদ্ধে জয়লাভ করা চিনের সরাসরি সাহায্যপুষ্ট পাকিস্তানকে পরাজিত করে প্রিয়দর্শিনী আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিপুল গুরুত্ব লাভ করেছিলেন। ইন্দিরার আমলেই পরমাণু শক্তিধর হয়ে ওঠে ভারত৷ বিশ্বের তৎকালীন দুই ‘বড়দা’ আমেরিকা এবং রাশিয়া তা নিয়ে প্রথমে ভ্রূকুঞ্চন করলেও পরে মেনে নিতে বাধ্য হয়৷ একাত্তরের যুদ্ধ চলাকালীন সোভিয়েত শিবিরের সমর্থন নিশ্চিত করার পাশাপাশি তিনি আরও বিভিন্ন দেশের বিরোধিতা প্রশমন করেছিলেন। আন্তর্জাতিক মহলকে বোঝাতে পেরেছিলেন, ভারত পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করছে না, পূর্ব বাংলার নিপীড়িত জনতার পাশে দাঁড়াচ্ছে৷ জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের চরিত্র বজায় রাখতেও ইন্দিরার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রবল সম্ভাবনা ছিল এই জোট দ্বিতীয় বিশ্বের দিকে হেলে পড়বে৷ তিনি তা হতে দেননি।

একদম শেষে এক বঙ্গসন্তানের কথা বলি। সোনারপুরের নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য নাম বদলে মানবেন্দ্রনাথ রায় হয়ে এদেশ ওদেশ ঘুরে থিতু হন মেক্সিকোয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের বাইরে প্রথম দেশ হিসাবে মেক্সিকোয় কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি৷ খোদ ভ্লাদিমির লেনিনের সঙ্গে তাঁর ছিল নিবিড় সম্পর্ক। কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের তরফে তিনি ছিলেন এশিয়ার দায়িত্বে। অর্থাৎ মাও সে তুং-এরও নেতা। বহু বিচিত্র এবং রোমাঞ্চকর কর্মকাণ্ডের নায়ক, আন্তর্জাতিক রাজনীতির অতি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র এমএন রায়কে আমরা কতজন মনে রেখেছি? অথচ তাঁকে নিয়ে তৈরি হতে পারে একটি দুর্দান্ত সিনেমা বা সিরিজ। মেক্সিকো সিটিতে একটি রাস্তার নামকরণ হয়েছে তাঁর নামে৷ অথচ কলকাতায় তাঁর নামে কোনও রাস্তা নেই। অবশ্য আমরা তো ভুলে যেতে দক্ষ। সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুরকেই বা কতজন মনে রেখেছি, যিনি হিটলারকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে জার্মানিতে গ্রেপ্তার হয়ে মিউনিখের জেলে ছিলেন কয়েকদিন?

Solanki Paul
Solanki Paulhttps://uttarbangasambad.com/
Solanki Paul is working as Sub Editor based in Darjeeling district of West bengal since 2020. Presently she is attached with Uttarbanga Sambad. She is involved in Copy Editing, Uploading in website and various social media platforms.
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
- Advertisment -spot_img

LATEST POSTS

Arup Biswas | ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোডশেডিং শব্দটি মুছে দিয়েছেন’, মানিকচকের ঘটনায় দাবি অরূপের

0
উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মানিকচকের এনায়েতপুরের ঘটনা দুঃখজনক হলেও এর সঙ্গে লোডশেডিংয়ের কোনও যোগ নেই। এমনটাই জানালেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এক প্রেস বিবৃতিতে...

Manikchak | আত্মরক্ষার জন্যই গুলি, মানিকচকের ঘটনায় ব্যাখ্যা পুলিশের

0
উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: নিজেকে বাঁচাতেই মানিকচকের এনায়েতপুরে গুলি চালিয়েছে পুলিশ।  অন্তত এমনটাই দাবি করলেন মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ যাদব।  পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, মানিকচকের...

Murshidabad accident | দুই বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ যুবকের, আহত ২

0
রঘুনাথগঞ্জ: পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ৩ জনের। আহত আরও ২ জন। বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনাটি ঘটে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad accident) রঘুনাথগঞ্জ (Raghunathganj) থানার মির্জাপুর এলাকায়। পুলিশ সূত্রে...

Harishchandrapur | শাসকদলের প্রধানের বাড়িতে সালিশি সভা, চারজনকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ

0
হরিশ্চন্দ্রপুর: পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে সালিশি সভায় ডেকে মিটমাট করে দেওয়ার নামে চার ভাইকে মারধর করার অভিযোগ উঠল এক ঠিকাদার এবং তার পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে।...

Janhvi Kapoor | হাসপাতালে ভর্তি করা হল জাহ্নবীকে, হঠাৎ কী হল অভিনেত্রীর?

0
তপন বকসি, মুম্বই: কিছুদিন আগেই অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের (Anant Ambani and Radhika Merchant Wedding) অনুষ্ঠানে হইচই করতে দেখা যায় অভিনেত্রী জাহ্নবী...

Most Popular