Tuesday, July 23, 2024
Homeসম্পাদকীয়উত্তর সম্পাদকীয়দেবতার সঙ্গে আসে শাস্ত্র, সময় বসে থাকে

দেবতার সঙ্গে আসে শাস্ত্র, সময় বসে থাকে

অন্য কোনও দেবতা জগন্নাথ দেবের মতো বিবর্তিত হননি। প্রভুর যেমন ইচ্ছা। রাষ্ট্রদেবতা হলে যা হয়। শাস্ত্র নয় শাসক নিয়ন্ত্রিত। প্রথমে শবরদের দেবতা। তারপর চতুর্ভুজ নীলমাধব। তারপর হলেন জৈনদের। ক্রমে বৌদ্ধ, শৈব ও বৈষ্ণবদের উপাস্য। শাসকশক্তির যেমন যেমন ধর্মবিশ্বাস, জগন্নাথ দেবেরও সেই অনুসারে রূপান্তর।

  • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

প্রভু কোন মাসে কী বেশ ধারণ করেন? বেশের রূপান্তর। বৈশাখে চন্দনবেশ। প্রভু মদনমোহন। জ্যৈষ্ঠে হস্তীবেশ। প্রভু তখন গণেশ। স্নানযাত্রার পরে প্রভুর গজানন বেশ ধারণের একটি গল্প আছে। কর্ণাটকের কানিয়ারি গ্রামের গণপতি ভট্ট স্নানযাত্রার দিন লীলাচলে এলেন। তিনি ছিলেন গাণপত্য ব্রাহ্মণ। দারুব্রহ্ম জগন্নাথ দেবকে গণপতি মূর্তিতে দেখতে না পেয়ে সিদ্ধান্ত করলেন, ‘ব্রহ্ম নীলাচলে নেই’। ভক্তবাঞ্ছা কল্পতরু জগন্নাথ দেব ব্রাহ্মণের ঐকান্তিক বিশ্বাসে মুগ্ধ হয়ে গজানন রূপ প্রকট করলেন। গণপতি ভট্টের প্রার্থনা অনুসারে ‘যাবচ্চন্দ্র দিবাকর’ স্নানযাত্রা-মহোৎসবের পরে প্রভু গণেশবেশ ধারণ করেন। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লা একাদশীতে তাঁর রুক্মিণীহরণ বেশ। আষাঢ়ে গুণ্ডিচা থেকে ফিরে আসার পর স্বর্ণবেশ। শ্রাবণে পর পর দুটি বেশ, চিতালাগি বেশ আর রাহুরেখালাগি বেশ। ভাদ্রমাসে তাঁর শ্রীকৃষ্ণ লীলা। প্রথম বনভোজন বেশ, তারপর কালীয়দমন বেশ, অবশেষে বামন বেশ। আশ্বিনে তাঁর রাজবেশ। কার্তিকে তাঁর অনেক রূপধারণ। লীলা জমজমাট। শ্রীরাধাদামোদর, ত্রিবিক্রম, বামন, নৃসিংহ, পরশুরাম, সবশেষে রাজাধিরাজ। অঘ্রাণে শীতবস্ত্র অঙ্গে, যার নাম ওড়ন। মাঘ মাসে পদ্মবেশ। মাঘীপূর্ণিমায় গজোদ্ধারণ বেশ। বসন্ত পঞ্চমীর দিন চাঁচেরি বেশ। ফাল্গুনে কুণ্ডলবেশ, দোলপূর্ণিমায় রাজবেশ। চৈত্রে প্রভু রামরাজা বেশে শ্রীরামচন্দ্র।

প্রভুর পুজো হবে কোন মন্ত্রে? ‘রাজভোগ’ অপ্রকাশিত একটি পুঁথি। সেখানে আছে পূজাবিধি। তিনজন পুরোহিত তিন দেবতার পূজায় বসবেন। বাসুদেব মন্ত্রে বলভদ্রের পূজা, ভুবনেশ্বরী মন্ত্রে সুভদ্রার আর মন্ত্ররাজ নৃসিংহ মন্ত্রে জগন্নাথ দেবের। রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন আদেশ পেয়েছিলেন, প্রভুকে নৃসিংহ মন্ত্রে পূজা করবে। নরসিংহের পরিচিত মূর্তি হল, একটি মস্তক ও দুটি হাত।

জগন্নাথ দেবের প্রসাদ রূপান্তরিত হবে মহাপ্রসাদে। কীভাবে? আবার পুরাণ। দেবী বিমলা প্রভু জগন্নাথকে তাঁর মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিলেন একটি শর্তে। জগন্নাথ দেবকে নিবেদিত অন্নভোগ পরিচিতি হবে ‘প্রসাদ’ নামে। এইবার সেই প্রসাদ নিবেদিত হবে বিমলার কাছে। বিমলা গ্রহণ করার পর রূপান্তরিত হবে ‘মহাপ্রসাদে’। এই মহাপ্রসাদে আচণ্ডালের অধিকার। চণ্ডাল এবং ব্রাহ্মণ একসঙ্গে এই প্রসাদ গ্রহণ করলেও স্পর্শদোষে উচ্ছিষ্ট হবে না। শেষতম কণিকাটিও সমানভাবে পবিত্র থাকবে। জগন্নাথ দেব শর্ত মেনে মন্দিরে প্রবেশাধিকার পেয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন।

এই মহাপ্রসাদ প্রকৃতই মহাপ্রসাদ। স্বয়ং ব্রহ্ম। সারা ভারতের মানুষের কাছে একটি মহাবস্তু। তাঁরা বিশ্বাস করেন, স্বয়ং লক্ষ্মীদেবী রন্ধন করেন আর রত্নবেদিতে দাঁড়িয়ে দেবতারা গ্রহণ করেন।

সবচেয়ে  রহস্যময় এই রত্নবেদী। দারুবিগ্রহে নয়, এই রত্নবেদিতেই লুকিয়ে আছে প্রকৃত রহস্য। একাধিক পণ্ডিতের এই অভিমত। তাঁরা বলছেন, এই মহাদেবীই প্রকৃত সিদ্ধপীঠ, মহাপুণ্যক্ষেত্র। লক্ষ শালগ্রাম শিলায় তৈরি। ‘জগন্নাথের সিংহাসনটি ফাঁপা। গর্ভগৃহের মৃদু আলোয় ভালো করে দেখা যায় না। এই সিংহাসনের মধ্যে গুপ্তদ্বার রয়েছে। এই সিংহাসনের ফাঁপা অংশে রয়েছে ত্রিপুরাসুন্দরী দেবীর মন্ত্র। অতিগুপ্তভাবে রক্ষিত। তাই ভোগ নিবেদন এই সিংহাসনের উদ্দেশেই করা হয়। সিংহাসনহীন বিগ্রহের কোনও তাৎপর্য নেই। তাই রথের সময় জগন্নাথ দেবের প্রসাদকে ‘মহাপ্রসাদ’ বলে না।’

স্নানযাত্রায় ‘স্বর্ণকূপের’ ১০৮ ঘড়া জলে স্নান। তারপর পনেরো দিন অসুস্থ। এই পনেরো দিন মন্দিরের দরজা বন্ধ। এই সময়টিকে বলা হয় ‘অনবসর’ কাল। যেহেতু পূজার অবসর থাকে না, সেই হেতু ‘অনবসর’। এই সময় বিগ্রহদের সমস্ত দায়-দায়িত্ব অর্পিত হয় শবর দয়িতাদের হাতে। তাঁরাই যে প্রভুর অতি আপনজন। একদা অরণ্যে অধুনা রাজন্যে। এই অনবসরে বিগ্রহ-সেবায় ব্রাহ্মণরা অনধিকারী। ব্রাহ্মণ পূজারিদের যে অধিকার নেই শবর দয়িতাদের সেই অধিকার আছে। এক আসনে বসে দেবতাদের নৈবেদ্য নিবেদন করে নিজেরাও আহার করেন। ফল সুস্বাদু কি না নিজেরা চেখে দেখে ভগবানকে দেন। সন্তান ভগবান, অতি আপনজন। শাস্ত্রের শাসনমুক্ত স্নেহের পূজা। অনবসরকালের এই পূজা ‘গুপ্ত পূজা’, লোকচক্ষুর আড়ালে। দরজা বন্ধ করে। এ হল তান্ত্রিক রীতি। পূজারি বলছেন, ‘নে খা’। মাঝে মাঝে এমন পূজা দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণও করে গিয়েছেন ভাবমুখে।

মহাপ্রসাদ তান্ত্রিক শব্দ। মহাপ্রসাদে বলির ছাগমাংস থাকা চাই। ভৈরবী চক্রে জাতিবর্ণনির্বিশেষে কৌলরা সাধনায় বসেন। পঞ্চমকার পরিচিত শব্দ। বিমলা, কমলাচক্রে অধিষ্ঠিত ভৈরবী। জগন্নাথ স্বামী ভৈরব, রত্নবেদিতে ত্রিপুরাযন্ত্রে অধিষ্ঠিত।

পুরুষোত্তম ক্ষেত্রে বিমলা সর্বৈশ্বরী। কষ্টিপাথরে নির্মিত দেবীমূর্তি। দাঁড়িয়ে আছেন চতুর্ভুজা। চার হাতে ত্রিশূল, খড়্গ, খর্পর আর রুদ্রাক্ষমালা। তিনটি চোখ সোনার। দেবীর দু’পাশে প্রস্তরনির্মিত দুটি মূর্তি, ছায়া আর মায়া। ভারতের চারটি সিদ্ধপীঠের একটি। জ্বালামুখী, কামাখ্যা, কন্যাকুমারী, বিমলা। মা দুর্গাই তন্ত্রে বিমলা। প্রধানা সর্বশক্তিনাং বলা বলবতী পরা। সর্বসিদ্ধিপ্রদা দেবী পরমা যোগরূপিনী। ধ্যানমন্ত্র, চণ্ডীর ধ্যন। বীজমন্ত্র ওঁ হ্রীং। অনুকল্প পঞ্চমকারে তাঁর পূজা। মৎস্য- হিং দিয়ে রান্না করা শাক। মাংস- আদা কুচি। মদ্য- কাংস পাত্রে ডাবের জল। মুদ্রা- জলে গোলা ময়দা আর চিনি। মৈথুন- রক্তচন্দন মাখানো অপরাজিতা ফুল। তারপর আসবে শারদোৎসব। ষোলো দিনের বিশেষ পূজা। পূজার পুরোহিত হবেন নরসিংহপুরের রথ সামন্তগণ, বোড়ঙ্গদেব প্রাচীন বক্সীদের কেউ কেউ নির্বাচিত হবেন তন্ত্রধারক। জগন্নাথ দেব তাঁর প্রতিনিধিকে পাঠাবেন, ভৈরব দুর্গামাধব। তিনি ছোট্ট একটি বিগ্রহ হয়ে বসবেন দেবীর ডান পাশে। এই ষোলো দিনে দেবী ধারণ করবেন বিভিন্ন বেশ। প্রথমদিন বিমলা, দ্বিতীয়দিনে ভুবনেশ্বরী, তৃতীয়দিনে বনদুর্গা, চতুর্থদিনে রাজরাজেশ্বরী, পঞ্চমদিনে উগ্রতারা, ষষ্ঠদিনে মাতঙ্গিনী, সপ্তমদিনে বগলা, অষ্টমদিনে নারায়ণী, নবমদিনে সিংহবাহিনী, দশমদিনে জয়দুর্গা, একাদশদিনে শূলীদুর্গা, দ্বাদশদিনে হরচণ্ডী, শেষ চারদিন আবার বিমলার বেশ।

এইবার এসে যাবে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী। আর অনুকল্প পূজা নয়। পুরোপুরি ‘রহস্যপূজা’। থমথমে মধ্যরাত। অন্ধকার সমুদ্রে ফসফরাসের খিলখিল হাসি। আকাশের এক কোণে সপ্তমীর মৌলী চাঁদ। মন্দিরের দরজা বন্ধ। আসনে প্রবীণ তান্ত্রিকরা। পুরুষোত্তম পীঠ এই রাত তন্ত্রপীঠ, বিমলাপীঠ। ভোগে নিরামিষ নয় প্রকৃত মৎস্য। হাড়িকাঠে একটি মেষ। জগন্নাথ দেব আজ ভৈরব। গা ছমছম ওই পরিবেশে, তরল আলোর অন্ধকারে ভাসিয়ে দেওয়া হয় তন্ত্রের মন্ত্রে।

রূপ আর অরূপ মিলিয়ে জগন্নাথ দেব প্রভাব ও প্রতিপত্তিশালী এক কিট্টুং। একটি মত তেমনটাই বলে। আমাদের বিষয় জগন্নাথ দেবের বেশভূষা ও আহার। অরণ্যবাসীর কাঁচা নৈবেদ্যে তাঁর অনীহা। তিনি সভ্যতার দিকে এগোচ্ছেন অথবা সভ্যতা তাঁর দিকে এগিয়ে আসছে। সংঘর্ষই সভ্যতার ধর্ম। মত আর পথের লড়াই। অনাড়ম্বর বিশ্বাসের নিভৃত উপাসনার দিন শেষ। রাজা গগনচুম্বী মন্দির করলেন, বিরাট এক বিগ্রহ গঠন করালেন না কেন? কারণ ওটি করানো                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                            যায় না। রত্নবেদী পর্যন্ত এগোনো যায়, তারপর অসহায়। মূর্তিগড়া যায়। কপি। দেবতার জন্ম দেওয়া যায়  না। দেবতার আবির্ভাব হয়। দেবতার সঙ্গে আসে শাস্ত্র। আর সময় বসে থাকে কোল পেতে।

ইতিহাসের অন্ধকারে এই দারুলীলা। শ্রীক্ষেত্রে তিনি যখন তাঁর বিপুল আয়তন নিয়ে উঠে বসলেন, সবাই হাঁ হয়ে গেলেন। নিরাকারের উপাসকরা বললেন, হাঁ, মিল গয়া। এই তো নিরাকারের আকার। পূজার মন্ত্রের প্রথমেই থাক আমাদের এই চরণযং দারুব্রহ্মামূর্তিং প্রণবতনুধরং সর্ব বেদান্তসারং। আমরা শূন্যবাদী, অস্তিত্বহীন অখিল মায়ায় আছি অথবা নেই। মৃত্যুর নূপুরে জীবনের নৃত্য। এই তো আমাদের অনস্তিত্বের রূপ। পূজার মন্ত্রে আমাদের এই চরণটি থাক, বৌদ্ধানাং বৌদ্ধসাক্ষাৎ। অনৈশ্বর্যের ঐশ্বর্য্য আমরা পেয়েছি। যে সাজে সাজাই সেই সাজেই পাই, নইলে বৃক্ষকাণ্ড। আমাদের এই চরণটি যুক্ত হোক, জৈন সিদ্ধান্তমূর্তিঃ। আমরা ভক্ত, আমরা যে লীলা চাই, এই তো আমাদের সেই অর্চাবতার, প্রেমঘন পুরুষোত্তম! আমাদের এই নিবেদনটি থাক, ভক্তানাং কল্পবৃক্ষ ভবজলতরণী। আমরা শৈবতান্ত্রিক, এই যে সমুদ্রের তীরে বসে আছেন আমাদের ভৈরব, পূজার মন্ত্রে জুড়ে দিন আমাদের পূজার মন্ত্র, শৈবানাং ভৈরবাস্যাং পশুপতি পরমং। যোগীরা পেলেন হংসতত্ত্ব, হরি হর আর বৈষ্ণবের শ্রীপতি।

তবু যে সহজ হল না প্রভুটিকে চেনা। চিনতেই যদি না পারা গেল তাহলে পূজাপদ্ধতি, ভোগবিধি ঠিক হবে কী করে! ওডিশার বৈষ্ণব ও কবিদের ধারণায় জগন্নাথ হলেন শূন্যপুরুষ। দীর্ঘদিন ওডিশা বৌদ্ধধর্মের প্রভাবে ছিল। এই ধর্ম একসময় দুটি প্রধান ভাগে ভাঙল। ওডিশায় মহাযানী মতবাদ প্রাধান্য বিস্তার করল। মহাযানীরা বললেন, জগন্নাথই বুদ্ধআদি বুদ্ধ। শূন্যপুরুষ জগন্নাথ। শূন্য থেকেই সৃষ্টি, অতএব সব অবতারের স্রষ্টা তিনি। বৈষ্ণবরা শ্রীকৃষ্ণকে জুড়ে দিলেন, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর অংশাবতার। অন্য কোনও দেবতা জগন্নাথ দেবের মতো বিবর্তিত হননি। প্রভুর যেমন ইচ্ছা। রাষ্ট্রদেবতা হলে যা হয়। শাস্ত্র নয় শাসক নিয়ন্ত্রিত। প্রথমে শবরদের দেবতা। তারপর চতুর্ভুজ নীলমাধব। তারপর হলেন জৈনদের। ক্রমে বৌদ্ধ, শৈব ও বৈষ্ণবদের উপাস্য। শাসকশক্তির যেমন যেমন ধর্মবিশ্বাস, জগন্নাথ দেবেরও সেই অনুসারে রূপান্তর। কখনও তিনি ঋষভনাথ, কখনও আদিবুদ্ধ, কখনও ভৈরব, কখনও দক্ষিণা কালীকা, সবশেষে বিষ্ণু-কৃষ্ণ। এক দেবতা থেকে যেই অন্য দেবরূপে অর্চিত হচ্ছেন, তখনই পূর্ব পূজার কিছু ছাপ এসে যাচ্ছে পূজাপদ্ধতিতে স্বাভাবিকভাবেই। সেই কারণে জগন্নাথ দেবের পূজাপদ্ধতিতে সমস্ত ধর্মের ধর্মবিশ্বাসের মিলন ঘটেছে। কেউ এমন দাবি করতে পারবেন না যে, মহাপ্রভু শুধু আমাদের সম্প্রদায়ের দেবতা।

এই ভাবেই দিন যাবে। অনন্তসমুদ্র অনন্তকাল ঢেউয়ের হিসেব করবে। সুবর্ণবালুকাবেলা ব্রহ্মস্বরূপ। পুরুষোত্তম অস্তিত্বের চিরসাক্ষী। অনন্তভক্ত স্রোত। অসম্ভব এই পুরুষোত্তম। ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। অত বড় জ্ঞানী আচার্য শংকর এইটুকুই বলতে পেরেছিলেন, ‘জগন্নাথস্বামী নয়নপথগামী ভবতু মে’।

Uttarbanga Sambad
Uttarbanga Sambadhttps://uttarbangasambad.com/
Uttarbanga Sambad was started on 19 May 1980 in a small letterpress in Siliguri. Due to its huge popularity, in 1981 web offset press was installed. Computerized typesetting was introduced in the year 1985.
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
- Advertisment -spot_img

LATEST POSTS

Gangarampur | সবজির দামের সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী গাঁদা, গৃহদেবতাকে পুজো দিতে হিমসিম খাচ্ছেন গৃহস্থরা

0
গঙ্গারামপুর: শুধু সবজির বাজার আগুন নয়। সবজির দামের সঙ্গে রীতিমতো পাল্লা দিচ্ছে গাঁদা ফুল। গঙ্গারামপুর (Gangarampur) বাজারে প্রায় ৩০০ টাকা কিলো দরে বিক্রি হচ্ছে...

Inzamam-ul-Haq | ইনজামামকে ‘কার্টুনিশ’ বলে কটাক্ষ সামির! বড়রা নিশ্চয় শেখায়নি, তোপ বাসিতের

0
লাহোরঃ ইনজামাম-উল-হকের সঙ্গে মৌখিক যুদ্ধে নেমে পাক ক্রিকেট মহলের তোপের মুখে মহম্মদ সামি। গত টি২০ বিশ্বকাপের সময় অর্শদীপ সিংয়ের বিরুদ্ধে বল বিকৃতির অভিযোগ করেছিলেন...

Balurghat | টোটোর দাপটে অতিষ্ঠ শহরবাসী, যানজট নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের

0
বালুরঘাট: বালুরঘাট (Balurghat) শহরে যানজট কমাতে টোটো চলাচলের উপর লাগাম টানতে চলেছে প্রশাসন। শহরের রাস্তায় বাইরের টোটোর চলাচল বন্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে জেলা...

Babar Azam | তুলনা নয়, নিজের ব্যাটিং উন্নতির জন্য সুযোগ পেলেই কোহলির থেকে পরামর্শ...

0
লাহোরঃ বাবর আজম বনাম বিরাট কোহলি। তুলনা ঘিরে একসময় সরগরম হয়েছে ক্রিকেটমহল। যদিও স্বয়ং বাবর আজমের বক্তব্য ঠিক উলটোই। তুলনা নয়, বরং নিজের ব্যাটিং...

Gangarampur | সাহিত্য পাঠের পাশাপাশি চাকরিমুখী পড়াশোনা, তরুণ-তরুণীদের ভিড় গ্রন্থাগারে

0
গঙ্গারামপুর: তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বই পড়ার অভ্যাস প্রায় অতীত। বিশেষত সামাজিক মাধ্যমের বাড়বাড়ন্ত ও জনপ্রিয়তার ফলে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বইয়ের প্রতি আগ্রহ ক্রমশ তলানিতে ঠেকেছে।...

Most Popular