Saturday, July 20, 2024
Homeসম্পাদকীয়উত্তর সম্পাদকীয়মা ষষ্ঠী প্রথম জীবনে শিশুঘাতক ছিলেন!

মা ষষ্ঠী প্রথম জীবনে শিশুঘাতক ছিলেন!

গণেশকে আমরা বিঘ্ননাশকারী বলে থাকি, আসলে কিন্তু গণেশ বিঘ্নকর্তা, বিঘ্ন করেন। রূপান্তরিত হয়ে বিঘ্নেশ বা বিঘ্ননাশকারী হয়েছেন। ঠিক তেমনি মা ষষ্ঠী প্রথম জীবনে নাকি ছিলেন ঘাতক। উচ্ছৃঙ্খল, নিষ্ঠুর, শিশু হত্যাকারী। সেখান থেকে রূপান্তরিত হয়েছেন তিনি। পরিবর্তিত হয়েছেন শিশুদের রক্ষাকারী মা ষষ্ঠীতে।

  • নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

দুর্গা, চণ্ডী, কালীর মতো ষষ্ঠীর কি কোনও উৎপত্তির ব্যাখ্যা আছে? প্রচলিত মতে, ষষ্ঠীদেবী বা ষষ্ঠী ঠাকুর হলেন লৌকিক দেবী। আমাদের ধারণা, মা ষষ্ঠী হলেন মূলত প্রজননের দেবী। তাঁর অসীম কৃপা। তিনিই সন্তানকে রক্ষা করেন। তার মঙ্গলসাধন করেন।

এই ষষ্ঠীর সঙ্গে কার্তিকের যোগসাজশ আছে ভীষণরকম। কালিদাস বলেছেন স্কন্দমাতার কথা। দুর্গাদেবীর পুত্র কার্তিক ওতপ্রোতভাবে জড়িত ষষ্ঠীর সঙ্গে। সোজা কথায়, কার্তিকের স্ত্রী হলেন ষষ্ঠী। প্রশ্ন হল, ষষ্ঠী কী করে কার্তিকের স্ত্রী হলেন এই নিয়ে মহাভারত সহ আরও বহু জায়গায় খুব জটিলতার সঙ্গে বলা হয়েছে। ষষ্ঠীর কোনও মূর্তিমতী রূপ ছিল কি না, সে নিয়েও সন্দেহ থেকে যায়। মূলত রূপক হিসাবেই ষষ্ঠীকে দেখানো হয়।

এই প্রসঙ্গে দুর্গার পুত্র গণেশের কথা বলি। গণেশকে আমরা বিঘ্ননাশকারী বলে থাকি, আসলে কিন্তু তা নয়। গণেশ আসলে বিঘ্নকর্তা, বিঘ্ন করেন। সেখান থেকেই রূপান্তরিত হয়ে বিঘ্নেশ বা বিঘ্ননাশকারী দেবতা রূপে সাধারণের কাছে প্রতিপন্ন হয়েছেন। ঠিক তেমনি গণেশের ভাই কার্তিকের স্ত্রী ষষ্ঠীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আমরা সাধারণভাবে বলি, মা ষষ্ঠী শিশুদের রক্ষাকর্তা। আসলে ষষ্ঠী ছিলেন ঘাতক। উচ্ছৃঙ্খল, নিষ্ঠুর, শিশু হত্যাকারী। এটা প্রথম জীবনের কথা। সেখান থেকেই রূপান্তরিত হয়েছেন তিনি। পরিবর্তিত হয়েছেন মা ষষ্ঠী।

ষষ্ঠীকে জানতে গেলে আগে কার্তিককে জানতে হবে। কার্তিক জন্মেছিলেন কীভাবে? মহাভারত ও কালিদাসের কুমারসম্ভবে বলা হয়েছে, তারকাসুরের উৎপাতের কারণে দেবতারা বিতাড়িত হয়েছেন। সেই তাড়কাসুরকে বধ করার জন্য কার্তিকের সৃষ্টি। মহাদেবের তেজ এবং দুর্গার গর্ভে তিনি জন্মাবেন। দেবতারা এসে তপস্যা করেন। মহাদেব রাজি হন। কিন্তু মহাদেবের স্খলিত তেজ দুর্গা ধারণ করেননি। তা গঙ্গা, অগ্নি বিভিন্ন জায়গায় রূপান্তরিত হতে থাকে। একসময় গঙ্গা তাঁর গর্ভ নিক্ষেপ করেন শরবনে। হিমালয়ের প্রত্যন্ত উচ্চচূড় কোনও জায়গায় সেই শরবন। সেখানেই কার্তিকের জন্ম। কার্তিক জন্মেই শক্তিশালী। জন্মের মাত্র ছয়দিনের মধ্যেই তিনি মহিষাসুরকে বধ করছেন। মহিষাসুরের কথা মহাভারতেও আছে। এগুলো কল্পে কল্পে তৈরি। একটি কল্পে কার্তিক মহিষাসুরকে বধ করছেন বলে বলা হয়েছে। কল্প কল্প বিষয়টি আমরা বহুকাল শুধুমাত্র কল্পনাপ্রসূত ভাবতাম। কিন্তু বর্তমানে কোয়ান্টাম থিয়োরি মেনে কেউ কেউ নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন। তাঁরা বলছেন, কল্পের বিষয়টি সত্যি হলেও হতে পারে।

কথা হচ্ছে, কার্তিক জন্মানোর পর তাঁকে যখন অসুর বধের জন্য তৈরি করা হল তখন তাঁর অপূর্ব রূপ দেখে ইন্দ্র কিছুটা ঈর্ষান্বিত হলেন। তিনি মনে মনে ভাবলেন, কার্তিক এত তেজোময়, এত সৌন্দর্যের অধিকারী যে তাঁর সিংহাসন বোধহয় টলে যায়। তাই তিনি বজ্রপাত করলেন। স্কন্দের উপর। কিন্তু সেই বজ্রপাত কোনওভাবেই কার্যকরী হল না। শিবের স্খলিত ধাতু কণ্ব থেকে স্কন্দ। সে যাই হোক, বজ্রপাতেও যখন কিছু হল না তখন ইন্দ্র কার্তিকের কাছে নতজানু হলেন। বুঝলেন, কার্তিক নতুন যুগের নতুন নায়ক। অন্য দেবতারাও কার্তিকের মতো তেজের কাছে প্রণিপাত হলেন। চারিদিক শঙ্খ নিনাদিত হল, পুষ্পবৃষ্টি হল। এবং এইসব ঘটনা ঘটল কার্তিকের জন্মের মাত্র পঞ্চম দিনের মধ্যে। উল্লেখ্য, কার্তিকের জন্ম হয়েছিল প্রতিপদে। এরপর শুক্লা ষষ্ঠীতে কার্তিকের অভিষেক এবং তিনি যুদ্ধে বেরিয়ে পড়বেন।

এভাবেই কার্তিক বনে গেলেন দেবসেনাপতি। তিনি শুধুমাত্র কার্তিকেয় নামেও বিখ্যাত। কৃত্তিকা থেকে জাত এবং লালিতপালিত বলেই এঁর নাম কার্তিক বা কার্তিকেয়। বিষয়টা আগে উল্লেখ করলেও, একটু বিশদে বলা প্রয়োজন। পুরাকালে শিব-পার্বতীর বিয়ের ঠিক পরে পরেই মহাদেব উমাদেবীর সঙ্গে রমণকালে এক প্রবল তেজ উৎপাদন করেন। এই তেজ ধারণের শক্তি সকলের অতীত- একথা অনুধাবন করে প্রজাপতি ব্রহ্মা লোকহিতের উদ্দেশ্যে মহাদেবেরই শরণাপন্ন হন। ব্রহ্মা মহাদেবকে অনুরোধ করেন, সস্ত্রীক তপঃশ্চরণের মাধ্যমে স্বয়ং উদ্ভূত তেজ ধারণ করতে। শিব সম্মত হলেন। পৃথিবী নিজে এই তেজধারণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। মহাদেবের দেহজাত তেজোরাশি পৃথিবীর উপর নিক্ষিপ্ত হল। পৃথিবী দগ্ধ হচ্ছে দেখে ব্রহ্মার ইচ্ছায় অগ্নিদেব স্বয়ং সেই তেজোরাশি ধারণ করেন। এরপর অগ্নি বীর্য নিক্ষেপ করলেন গঙ্গা নদীতে। গঙ্গা সেই প্রবল তেজ সহ্য করতে না পেরে হিমালয়ের পার্শ্বে শরবনে গর্ভ নিক্ষেপ করেন। সেখান থেকে এক কুমারের জন্ম হয়। জন্মের পরেই কে তাঁকে স্তন্য পান করাবে- এই বিপন্নতায় ছয় কৃত্তিকা মাতা কার্তিককে স্তন্য অর্থাৎ ক্ষীর পান করান। কৃত্তিকারা নিজ পুত্রজ্ঞানে তাঁকে লালন করেন। ইনিই পরিচিতিলাভ করেন স্কন্দ কার্তিকেয় রূপে।

কার্তিকের জীবনে ৬ সংখ্যাটির গুরুত্ব অপরিসীম। ষষ্ঠ দিনে তিনি অসুর বধ করছেন। ছয় কৃত্তিকা তাঁকে দুগ্ধপান করিয়েছেন শরবনে। অন্যদিকে তাঁর ছয় মাতা, ষড়ানন। আমরা যে অরণ্যষষ্ঠী, জামাইষষ্ঠী পালন করছি, সেখানেও ছয়-এর ষোলোআনা অস্তিত্ব। সেই ষষ্ঠী দেবসেনাপতির স্ত্রী।

একসময় দেবসেনাপতি দেবসেনাকে বিয়ে করলেন। ইনি নাকি ব্রহ্মার কন্যা। দেবসেনাকে ব্রহ্মা কার্তিকের আগেই সৃষ্টি করে রেখেছেন। একথা মহাভারতের অরণ্য পর্বে আছে। শুধু একজন দেবসেনা নয়, সহস্র সহস্র দেবসেনা তাঁকে স্বামী হিসাবে গ্রহণ করলেন। কার্তিকের জন্য উচ্ছ্বাস, আনন্দ প্রকাশ করলেন। নিজেদের নিবেদন করলেন।

ব্রহ্মবৈবর্ত্যপুরাণ দ্বাদশ শতাব্দীর পরে লেখা। মূলত, এর পরেই ষষ্ঠীপুজোর প্রচলন হয়। এই পুরাণ বলছে, ষষ্ঠী সমস্ত বালককে আয়ু বেশি করে দান করেন। শিশুর রক্ষা করেন, তাদের পাশে থাকেন, তিনি সিদ্ধযোগিনী। ভগবান নারায়ণের মুখ দিয়ে বলিয়ে নেওয়া হয়েছে ব্রহ্মবৈবর্ত্যপুরাণে। দেবী ভাগবত পুরাণে আবার ষষ্ঠী ও কার্তিককে রূপকের সাহায্য নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে একে অন্যের পরিপূরক হিসাবে।

সে যাই হোক, হিন্দু বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী প্রতি মাসের শুক্লাষষ্ঠী তিথিতে নানা নামে মা ষষ্ঠী পূজিতা হন। যেমন জামাইষষ্ঠীর দিনে অরণ্যষষ্ঠী, শ্রাবণ মাসে লুণ্ঠন বা লোটনষষ্ঠী, ভাদ্র মাসে চাপড়া বা মন্থনষষ্ঠী, আশ্বিন মাসে দুর্গাষষ্ঠী বা বোধনষষ্ঠী, অগ্রহায়ণ মাসে মূলাষষ্ঠী, পৌষ মাসে পাটাইষষ্ঠী, মাঘ মাসে শীতলষষ্ঠী, চৈত্র মাসে অশোকষষ্ঠী এবং নীলষষ্ঠীর ব্রত পালন করার রীতি আছে আমাদের বঙ্গদেশে। বলে রাখি, বৈশাখ, আষাঢ়, কার্তিক ও ফাল্গুন মাসে ষষ্ঠীপুজো অপ্রচলিত। না, এখানেই শেষ নয়। শিশুর জন্মের দু’দিন পর সূতিকাষষ্ঠী, ষষ্ঠ দিনে ষাটষষ্ঠী, একুশ দিনে একুশে এবং শিশুর বারো বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি জন্মতিথিতে জলষষ্ঠীদেবীর পুজো করে থাকেন অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ।

মহাভারতের বনপর্ব। মহর্ষি মার্কণ্ডেয় যুধিষ্ঠিরকে জানিয়েছেন দেবী ষষ্ঠীর কাহিনী। প্রকৃতির ষষ্ঠাংশরূপা বলেই এই দেবীর নাম ষষ্ঠী। তিনি বলেছিলেন, প্রজাপতি দক্ষের দুই কন্যা দেবসেনা এবং দৈত্যসেনা একবার যখন মান সরোবরের তীরে গল্প করছেন, তখন সেখানে উপস্থিত হল দানব কেশী। দৈত্যসেনা তাকে পতিত্বে বরণ করলেও দেবসেনা রাজি হননি। কেশী যখন তাঁকে হরণ করার চেষ্টা করল, তখন দেবসেনা সাহায্যের জন্য উচ্চৈঃস্বরে প্রার্থনা জানাতে থাকেন। সেই প্রার্থনা শুনে ইন্দ্র সেখানে এসে কেশীকে তাড়িয়ে দেন।

এর পর দেবসেনা সুরক্ষার জন্য যখন ইন্দ্রের কাছে এক বলশালী পতি কামনা করেন, তখন ব্রহ্মার পরামর্শে রুদ্রের পুত্রকে তাঁর পতি মনোনীত করা হয়। সেই পুত্রই কার্তিক। মহাভারত বলছে, ব্রাহ্মণরা যাঁকে ষষ্ঠী বলে নির্দেশ করেন, সেই দেবসেনা স্কন্দ বা কার্তিকের মহিষী। এই বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল তারকাসুর বধের পরে! অন্যদিকে, স্কন্দপুরাণ বলছে, কার্তিকের প্রথম বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল যুদ্ধযাত্রার আগেই। তারকাসুরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পূর্বে তাঁকে পতিত্বে বরণ করে নেওয়া হয়। স্কন্দপুরাণ বেশ স্পষ্ট করেই বলছে, এই ঘটনার পরে তিনি সেনাপতি নামে প্রসিদ্ধি অর্জন করলেন। এর সঙ্গে যুদ্ধের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও বলা হয়েছে।

আমাদের সাধারণের প্রচলিত ধারণা, কার্তিক হলেন চিরকুমার। তিনি ব্রহ্মচারী! হরগৌরীর এই সন্তানের দেবসেনাপতি হয়ে ওঠার ব্যাখ্যা তো আগেই দেওয়া হয়েছে। তারকাসুরের সঙ্গে যুদ্ধে কার্তিক দেবযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দেন। তাই তাঁকে যোদ্ধাদের অগ্রগণ্য রূপে সম্মান দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে এই দুই প্রচলিত ধারণার কোনওটিই সত্য নয় বলেও পুরাণবিদদের ধারণা। অবশ্য এটাও ঠিক, পুরাণ কোনওকালেই কার্তিককে চিরকুমার বা ব্রহ্মচারী বলে দাবি করে না। আমরা আগেই দেখেছি, দেবসেনাপতি কীভাবে প্রথম বিবাহের সূত্রে আখ্যায়িত হয়েছিলেন নতুন নামে।

ষষ্ঠীদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য আমাদের দেশে ষষ্ঠীমঙ্গল পালাগান আজও হয়ে থাকে। বহু সন্তানহীন সন্তানকামনায় অথবা সন্তানলাভের পর মানসিক পূরণ করেন এই পালাগানের আয়োজন করে। সবমিলিয়ে ষষ্ঠী বর্তমানে প্রসূতি ও শিশুর রক্ষয়িত্রী, অথচ সেই তিনি প্রথম জীবনে নাকি শিশুঘাতক ছিলেন! এভাবেই যেন সমাজে বদল আসে। ঘাতক না হয়ে আমরা যেন সুরক্ষায় অভিনিবেশ করি।

Uttarbanga Sambad
Uttarbanga Sambadhttps://uttarbangasambad.com/
Uttarbanga Sambad was started on 19 May 1980 in a small letterpress in Siliguri. Due to its huge popularity, in 1981 web offset press was installed. Computerized typesetting was introduced in the year 1985.
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
- Advertisment -spot_img

LATEST POSTS

hoarding-poster

Jalpaiguri | বৈদ্যুতিক তারে ঝুলছে পোস্টার, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

0
জলপাইগুড়ি: মাস দুয়েক আগে মুম্বইতে একটি ফ্লেক্স লাগানো বিলবোর্ড ভেঙে পড়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তা নিয়ে দেশজুড়ে শোরগোল হলেও জলপাইগুড়ি পুরসভার (Jalpaiguri Municipality)...

Champions Trophy | ভারত না গেলে পাকিস্তান থেকে সরতে পারে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, একই পথে...

0
উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে যাবে না ভারত। ইতিমধ্যেই আইসিসিকে জানিয়ে দিয়েছে বিসিসিআই। এক্ষেত্রে বিপাকে পড়ে গিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থাটি। সে...

Bangladesh | বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরলেন প্রায় হাজার পড়ুয়া, এখনও আটকে চার হাজার

0
ঢাকা: কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশে আটকে পড়েছেন কয়েক হাজার ভারতীয় পড়ুয়া। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার জন...

Malda | উত্তরবঙ্গ সংবাদে প্রকাশিত খবরের জের, সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করল প্রশাসন

0
সামসী: উত্তরবঙ্গ সংবাদে প্রকাশিত খবরের জেরে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। ভরাট হওয়া সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করায় খুশি চাঁচলের বাসিন্দারা। সম্প্রতি সরকারি ডোবা জমি ভরাট করে দখলের...

Sukanta Majumdar | ‘রাজনীতি ভুলে কেন্দ্র-রাজ্য মিলে কাজ করা উচিত’, মন্তব্য সুকান্তর

0
কলকাতা: রাজ্যের স্বার্থে শিক্ষা, স্বাস্থ্যের মতো ক্ষেত্রে রাজনীতি ভুলে কেন্দ্রের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা উচিত রাজ্য সরকারের। নিউটাউনের (Newton) বণিকসভার শিক্ষা সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে (Educational...

Most Popular