উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান ৮৮ ঘণ্টার যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ লণ্ডভণ্ড হয়েছিল পাকিস্তানের ভোলারি (Bholari) বিমানঘাঁটি। সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, দীর্ঘ কয়েক মাস পরিত্যক্ত থাকার পর অবশেষে সেই ক্ষতিগ্রস্ত হাঙ্গারটি মেরামতের কাজ শুরু করেছে পাকিস্তান বিমানবাহিনী (PAF)।
২০২৫ সালের ১০ মে দুপুর ১২টার মধ্যে ভোলারি ঘাঁটিতে মিসাইল হামলা চালায় ভারত। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, এই হামলায় পাকিস্তানের একটি অত্যন্ত মূল্যবান SAAB 2000 ‘Erieye’ (আকাশপথে আগাম সতর্কতা প্রদানকারী বিমান) ধ্বংস হয়েছিল। সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ নিশ্চিত করেছিলেন যে, ওই হামলায় একজন অফিসার সহ ৬ জন পাক সেনাকর্মী নিহত হন।
২৮ জানুয়ারির নতুন চিত্রে দেখা গেছে, হাঙ্গারের ক্ষতিগ্রস্ত সবুজ ছাদটি সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি পুনর্নির্মাণ বা কাঠামো শক্তিশালী করার প্রাথমিক ধাপ। ভোলারি ছাড়াও মুরিদ, সুক্কুর এবং নূর খান বিমানঘাঁটিতেও একই ধরনের মেরামতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
১০ মে ভোররাত থেকে দুপুর পর্যন্ত ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর আওতায় পাকিস্তান জুড়ে ১০টি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায় IAF। রাফাল থেকে SCALP, সুখোই থেকে ব্রহ্মোস এবং মিরাজ ২০০০ থেকে ক্রিস্টাল মেজ মিসাইল ব্যবহার করে পাক বিমানবাহিনীর কোমর ভেঙে দেওয়া হয়।
ভোলারি ঘাঁটিতে হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিশেহারা পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির আর্জি জানায়। বিকেল ৩:৩৫ মিনিটে পাক ডিজিএমও মেজর জেনারেল কাশিফ আবদুল্লাহ ভারতের ডিজিএমও লেফট্যানেন্ট জেনারেল রাজীব ঘাইকে ফোন করে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের প্রস্তাব দেন।
এক নজরে অপারেশন সিঁদুর (১০ মে, ২০২৫)
• আক্রান্ত প্রধান ঘাঁটি: চাকলালা, সরগোদা, ভোলারি, সুক্কুর, মুরিদ ও ইয়াকুবাবাদ।
• ব্যবহৃত অস্ত্র: রাফাল (SCALP), সুখোই-৩০ (ব্রহ্মোস, রেমপেজ), মিরাজ ২০০০ (ক্রিস্টাল মেজ)।
• সবচেয়ে বড় ক্ষতি: পাক এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং (AEW&C) বিমান ধ্বংস।

