চালসা: বনবস্তি এলাকার মহিলাদের স্বনির্ভর করতে বনদপ্তরের (Forest Department) পক্ষ থেকে হাতের কাজ শেখানো হয়েছে। নিজেদের হাতে তৈরি করা পাটের ব্যাগ, মাদুর থেকে শুরু করে ঘর সাজানোর রকমারি সামগ্রী পর্যটকদের কাছে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন মহিলারা। তবে দীর্ঘদিন ধরে বনদপ্তরের বিভিন্ন কটেজ ও বাংলো বন্ধ হওয়ায় পর্যটকদের আনাগোনা না থাকায় ভাঁটা পড়েছে আয়ে। এরফলে সমস্যায় পড়েছেন চালসার (Chalsa) বনবস্তি এলাকার মহিলারা।
এতদিন বনদপ্তরের বাংলো এবং কটেজগুলিতে যে সমস্ত পর্যটকরা (Tourist) আসতেন তারা ফেরার সময় স্মারক হিসেবে নিয়ে যেতেন স্থানীয় মহিলাদের হাতে তৈরি সামগ্রী। বর্তমানে আসছেন না পর্যটকরা। ফলে আয় কমেছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের। গরুমারার মূর্তি টেন্ট এবং ধূপঝোরা বিট অফিসে রয়েছে এই সামগ্রী তৈরির কারখানা। যেখানে প্রতিটি মহিলা সপ্তাহে দু’দিন করে পর্যায়ক্রমে কাজ করে এই সমস্ত সামগ্রী তৈরি করেন। প্রথম ৬ মাস বনদপ্তরের তরফে তাদের বিনামূল্যে সামগ্রী তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরপর তারা নিজেরাই সামগ্রী তৈরি করে অর্থ উপার্জন করে। তাদের হাতে তৈরি সামগ্রী পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। আগে একেক জন মহিলা আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা মাসে রোজগার করতেন। তাই মহিলারা চাইছেন খুব দ্রুত পর্যটকদের জন্য সরকারি কটেজ, বাংলোগুলো খুলে দেওয়া হোক।


ধূপঝোরা বিটের হস্তশিল্পী মহিলা মোকসেদা খাতুন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই বনদপ্তরের কটেজ ও বাংলো বন্ধ। এখানে পর্যটকেরা আসছে না। এখন আয় কম হলেও কটেজ খোলার পর আয় বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।’ অন্যদিকে, বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন কটেজ ও বাংলোগুলি খোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

