উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন জুতো কেনার পর রঙিন বাক্সটি কয়েক দিন ঘরে পড়ে থাকে, তারপর তার ঠাঁই হয় ডাস্টবিনে। কিন্তু সামান্য বুদ্ধিতে এই অপ্রয়োজনীয় জুতোর বাক্স দিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় শৌখিন ও কাজের জিনিস। আপনার ড্রেসিং টেবিল থেকে খুদের পড়ার ঘর অগোছালো সবকিছু গুছিয়ে নিতে জুতোর বাক্সের ব্যবহার হতে পারে ম্যাজিকের মতো।
১. নেলপলিশের শৌখিন স্টোরেজ এদিক-ওদিক ছড়িয়ে থাকা নেলপলিশগুলো সাজিয়ে রাখতে জুতোর বাক্স ব্যবহার করুন। প্রথমে বাক্সটি সুন্দর কোনও রঙিন কাগজ দিয়ে মুড়ে ফেলুন। বাক্সের ওপর পছন্দমতো উক্তি (Quote) লিখতে পারেন বা নকশা করতে পারেন। এবার বাক্সের ভেতরে পাতলা পিচবোর্ড দিয়ে ৪ থেকে ৬টি ছোট ছোট খোপ তৈরি করে নিন। প্রতিটি খোপে রঙ অনুযায়ী নেলপলিশ সাজিয়ে রাখলে তা দেখতে যেমন সুন্দর লাগবে, প্রয়োজনে খুঁজে পেতেও সুবিধা হবে।


২. গয়নার বাক্স যখন জুতোর বাক্স ইমিটেশন, কড়ি বা মাটির গয়না আগলে রাখা বেশ কঠিন। এই সব শখের গয়না রাখতে জুতোর বাক্সটিকে উজ্জ্বল রঙের কাপড় দিয়ে মুড়ে ফেলুন। ওপর দিয়ে পুঁতি বা কাচ বসিয়ে তৈরি করে নিন সাবেকি লুক। গয়নাগুলো সরাসরি বাক্সে না রেখে ছোট ছোট প্লাস্টিকের পাউচে ভরে বাক্সের ভেতর সাজিয়ে রাখুন। এতে গয়নার রঙ চটবে না এবং মাটির গয়না ভাঙার ভয়ও থাকবে না।
৩. খুদের খেলনা ও আঁকার সরঞ্জাম ছোটদের খেলনা বা আঁকার জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা মা-বাবার কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে জুতোর বাক্সটিকে সাদা কাগজ দিয়ে মুড়ে খুদেকেই দিন আঁকিবুঁকি করতে। এতে বাক্সের গায়ে তার নিজস্ব ছোঁয়া থাকবে। এবার সেই বাক্সে তার ছোট ছোট খেলনা বা রঙ পেন্সিল গুছিয়ে রাখুন। এর ফলে শিশুরা ছোটবেলা থেকেই নিজের জিনিস নিজে গুছিয়ে রাখার পাঠ শিখবে।
সুতরাং, এবার থেকে জুতোর বাক্স ফেলে দেওয়ার আগে একবার ভাবুন। সামান্য সৃজনশীলতা আর জুতোর বাক্স এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই আপনার ঘর হয়ে উঠতে পারে আরও পরিপাটি ও সুন্দর।

