নয়াদিল্লি: তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ঝড়। বিধানসভা নির্বাচনে পোড়খাওয়া দলগুলিকে ঘোল খাইয়ে বাজিমাত অভিনেতা থেকে রাতারাতি রাজনীতিতে নামা বিজয় থালাপতি। রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের মধ্যেও অনেকের চোখ আবার মঙ্গলবারের অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের দিকে (IPL)।
আবারও একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, হলুদ জার্সিতে কি দেখা যাবে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে? আইপিএলের শুরু থেকেই চাতক পাখির মতো যে প্রশ্নের উত্তরের পথচেয়ে তাকিয়ে রয়েছে মাহি-ভক্তরা। যদিও অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হচ্ছে। খেলা দূর অস্ত, দলের সঙ্গে নয়াদিল্লিতেই আসেননি এমএস! কাফ মাসলের চোট সারাতে চেন্নাইয়েই রিহ্যাব করছেন। নিটফল, আরও একটা মাহিহীন চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচ।


সঞ্জু স্যামসন, রুতুরাজ গায়কোয়াড়, ডিওয়াল্ড ব্রেভিসদের কাঁধে চেপে আবারও বৈতরণি পাড়ে চোখ। ৯ ম্যাচে ৮ পয়েন্টের নড়বড়ে অবস্থান কিছুটা শুধরে নেওয়ার চ্যালেঞ্জও পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের সামনে। প্রতিপক্ষ প্রায় একই নৌকোয় পা রাখা অক্ষর প্যাটেলের নেতৃত্বাধীন দিল্লি ক্যাপিটালস (৯ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট)। পয়েন্ট সমান হলেও, নেট রানরেটের–নিরিখে চেন্নাই ছয়ে, দিল্লি সাতে।
প্রথম সাক্ষাৎকারে সঞ্জুর শতকীয় ইনিংস (৫৬ বলে অপরাজিত ১১৫) ব্যবধান গড়ে দিয়েছিল। ২১২/২ স্কোরের চ্যালেঞ্জের সামনে ১৮৯ রানে আটকে যায় দিল্লির দৌড়। আগামীকাল ঘরের মাঠে জবাব দেওয়ার বাড়তি তাগিদ থাকবে অক্ষরদের। লক্ষ্যপূরণে ভরসা জোগাচ্ছে মিচেল স্টার্কের দুরন্ত প্রত্যাবর্তন।
রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে গত ম্যাচে চলতি লিগে প্রথমবার খেলতে নেমেই স্টার্ক-জাদু। সঞ্জু-রুতুরাজ-ব্রেভিসদের জন্য নিঃসন্দেহে কঠিন হার্ডল হতে চলেছেন অজি স্পিডস্টার। স্টার্ক স্পর্শে কাইল জেমিসন, অক্ষরদের বোলিংকে অনেক সংঘবদ্ধ দেখিয়েছে। আগামীকাল স্টার্ক-এক্সপ্রেসকে থামানোর দায়িত্ব মূলত থাকবে সঞ্জুর কাঁধে। গত দুই ম্যাচে রুতুরাজের রানে ফেরাও অক্সিজেন জোগাচ্ছে।
অপরদিকে, রাজস্থান-বধে দিল্লির টপ অর্ডারের ভূমিকাও অনস্বীকার্য। পাথুম নিশাঙ্কা (৬২), লোকেশ রাহুল (৭৫), নীতীশ রানা (৩৩)- ত্রয়ীর দাপটে রাজস্থানের ২২৫-এর রান টপকাতে অসুবিধা হয়নি। তবে প্লে-অফের প্রাথমিক লক্ষ্য পূরণে জয়ের অভ্যাস বজায় রাখা জরুরি দিল্লির জন্য। একই অঙ্ক ঘুরপাক খাচ্ছে চেন্নাই শিবিরেও। অঙ্কটা আগামীকাল কারা মেলাতে পারে, সেটাই দেখার মঙ্গলবার অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের রাতের দ্বৈরথে।

