উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণের (Delhi Blast) আগেই গ্রেপ্তার মহিলা চিকিৎসককে কেন্দ্র করে তুমুল জল্পনা ছড়িয়েছে। লখনউয়ের বাসিন্দা শাহিন শাহিদ নামে এই মহিলা চিকিৎসক কি জইশ-ই-মহম্মদের ভারতীয় শাখার প্রধান কিনা তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে ট্রাফিক সিগন্যালে একটি গাড়িতে জোরালো বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে কমপক্ষে আটজন নিহত হয়েছেন। অথচ তার আগেই এদিকে দিল্লির (Delhi) কাছে ফরিদাবাদ থেকে বিশাল বিস্ফোরক উদ্ধার করে পুলিশ। এর সঙ্গে যোগ থাকায় লখনউয়ের মহিলা চিকিৎসককে শাহিন শাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর থেকেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছেন গোয়েন্দারা।
এক মাস আগে মহিলা ব্রিগেড খুলে সাড়া ফেলে দিয়েছিল জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার। মনে করা হচ্ছে, জইশ-ই-মহম্মদের মহিলা শাখা ‘জামাত-উল-মোমিনাত’-কে ভারতে ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় এই শাহিনকে। সেই কাজই শুরু করেছিলেন শাহিন শাহিদ। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, কাশ্মীরের চিকিৎসক মুজাম্মিল গানাই ওরফে মুসাইবের ঘনিষ্ঠ এই শাহিন শাহিদ। এই মুজাম্মিলের ডেরা থেকেই উদ্ধার হয়েছে ২৯০০ কেজিরও বেশি বিস্ফোরক। শাহিনের গাড়ি থেকেও উদ্ধার হয়েছে অ্যাসল্ট রাইফেল।
‘জামাত-উল-মোমিনাত’-এর শীর্ষ নেত্রী মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়া আজহার। পাকিস্তান থেকে বসে এই সংগঠন চালানোর দায়িত্ব রয়েছে তার ঘাড়ে। সাদিয়ার স্বামী ইউসুফ আজহার কান্দাহার হাইজ্যাকের অন্যতম চক্রী যে, গত ৭ মে ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor)-এ নিহত হয়। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে জঙ্গি সন্দেহে ফরিদাবাদের আল ফালাহ হাসপাতালে কর্মরত ২ চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোয়েন্দারা মনে করছেন, ‘ফরিদাবাদ মডিউল’ অ্যাক্টিভ হয়ে গিয়েছিল আগেই। দিল্লির বিস্ফোরণ তার ফলস্রুতি মাত্র।

