ধূপগুড়ি: সাপের ছোবলের পর চিকিৎসাধীন থেকেও অবিচল কর্তব্য পালন করছেন ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের চিকিৎসক। গত শুক্রবার রাতে তাঁকে সাপে ছোবল দেয়। তারপরই ময়নাগুড়িতে গিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসাও করান। ঠিক তার পর থেকেই কর্তব্যে যোগদান করেছেন চিকিৎসক শ্রীজিতা সাহা। তাঁর কথায়, রবিবার ছুটির আবেদন করেছিলাম। কিন্তু হয়ে ওঠেনি। রোগীদের পরিষেবা দিতে নেমেছি। বর্তমানে জ্বর ও নানা সমস্যা নিয়ে রোগীদের ভিড় হচ্ছে। অন্যান্য চিকিৎসকদের মতোই কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছে।
ধূপগুড়ি হাসপাতালে বর্তমানে ছয়জন চিকিৎসক রয়েছে। কখনও ১২ ঘন্টা আবার কখনও ছয়, কখনও চার ঘন্টা হিসেবে রোটেশনে চিকিৎসকরা ডিউটি করে থাকেন। এরই মধ্যে রবিবার রোগীর আত্মীয় ও ওই চিকিৎসকের মধ্যে বাগবিতণ্ডার মতোও ঘটনা ঘটে। অনেকেই চিকিৎসককে দোষারোপ করছিল। কিন্তু কেউই চিকিৎসকের হাতে লাগানো স্যালাইনের চ্যানেল কেউই নজর দেয়নি। চিকিৎসকও আগবাড়িয়ে কিছু জানায়নি। বাগবিতণ্ডার মধ্যে শেষে বলে ফেলেন তিনি নিজেও সাপে কাটা রোগী, ওই অবস্থায় কাজ করছেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা অবশ্য প্রকাশ্যে এই বিষয়ে কিছুই বলতে না চাইলেও এক আধিকারিকের কথায়, একজন চিকিৎসক হিসেবে শ্রীজিতা সাহা যা করছেন তা যথেষ্ট প্রশংসনীয়। চিকিৎসকের একটা অভাব রয়েছে তা ঠিকই।



