সিউড়ি: ‘সাংসদ শতাব্দী রায়ের (MP Satabdi Roy) সামনে বিক্ষোভ ও মারধরের ঘটনার দায় ডিএসপি ডিএনটি ট্রাফিকের। তিনি সব জানতেন। তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতির সঙ্গে যুক্তি করে এসব করিয়েছেন।’ নিজের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ করে জেলা পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সিউড়ি থানা থেকে বদলি হওয়া এএসআই রাজকুমার দাস। রাজকুমার দাসের এই বিস্ফোরক মন্তব্য অস্বস্তিতে ফেলেছে জেলা পুলিশকে। সেই সঙ্গে তৃণমূলের সঙ্গে পুলিশের আঁতাতের ঘটনাও প্রকাশ্যে এসেছে। বিজেপির দাবি, যেই কথা আমরা বার বলা বলেছি, এবার সেই কথা এক পুলিশ অফিসার বলে ফেললেন।
বীরভূমের (Birbhum) ২০ নভেম্বর সিউড়ি ২ নম্বর ব্লকের গাংটে গ্রামে এসআইআর নিয়ে সভা ছিল বীরভূম সাংসদ শতাব্দী রায়ের। ওইদিন শতাব্দীর সামনেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে এই ঘটনার জেরে সিউড়ি থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় আইসি সঞ্চয়ন মিত্র এবং এএসআই রাজকুমার দাসকে। এনিয়ে ফেসবুক লাইভে (Facebook Live) ফুঁসে ওঠেন রাজকুমার দাস। তিনি বলেন, ‘শতাব্দী রায়ের ওই ঘটনা ঘটিয়েছে ডিএসপি-ডিএনটি (কুনাল মুখোপাধ্যায়)। উনি এসপি সাহেবের কাছে ভালো সাজার চেষ্টা করছেন। এসপি সাহেব কোন কিছু যাচাই না করেই সিউড়ি থানার আইসি আর আমাকে বদলি করে দিয়েছেন। আমি সেদিন ঘটনাস্থলে ছিলামই না, আমার কাছে সমস্ত কল রেকর্ড রয়েছে ডিএসপি-ডিএনটির। যদি শাস্তি হয় তাহলে ডিএসপি-ডিএনটির হওয়া প্রয়োজন। তিনি ক্রিমিনাল। শাস্তি হওয়া দরকার ডিএসপি ডিএনটির।’ প্রসঙ্গত, বীরভূমের ডিএসপি ট্রাফিক কুনাল মুখোপাধ্যায় দায়িত্বে রয়েছেন ডিএসপি ডিএনটির।
রাজকুমার দাসের এই বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার আমনদ্বীপ বলেন, ‘তার যা অভিযোগ রয়েছে তদন্ত করে দেখা হবে।’

