উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: প্যাচপ্যাচে গরমে ঘাম আর আগুনের তাপ সহ্য করে কষিয়ে রান্না করা কার্যত দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাখার তলায় বসেও যেখানে স্বস্তি নেই, সেখানে রান্নাঘরের কষ্ট কমাতে ‘ভাপা’ রান্নাই হতে পারে সেরা সমাধান। মরসুমের টাটকা কুমড়োশাক আর ছোট চিংড়ি দিয়ে তৈরি এই পদটি যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনই সুস্বাদু।
উপকরণ:
-
তাজা কুমড়োপাতা (মাঝারি আকারের ৫-৬টি)
-
ছোট চিংড়ি (২৫০ গ্রাম)
-
সর্ষে বাটা (২-৩ টেবিল চামচ)
-
পোস্ত বাটা (১ টেবিল চামচ)
-
নারকেল কোরা (২ টেবিল চামচ)
-
কাঁচালঙ্কা বাটা (৫-৬টি) ও চেরা কাঁচালঙ্কা (৩-৪টি)
-
হলুদ (আধ চা-চামচ)
-
সর্ষের তেল (২-৩ টেবিল চামচ) ও স্বাদমতো নুন।
প্রণালী:
১. প্রথমে কুমড়োপাতাগুলি ভালো করে ধুয়ে কুচিয়ে নিন। নুন দিয়ে অল্প ভাপিয়ে জল ঝরিয়ে রাখা জরুরি। ২. একটি বড় পাত্রে ছোট চিংড়ি, ভাপানো শাক, নুন, হলুদ, কাঁচালঙ্কা বাটা, সর্ষে-পোস্ত বাটা এবং নারকেল কোরা এক সঙ্গে নিন। ৩. এতে সর্ষের তেল যোগ করে খুব ভালো করে মাখিয়ে নিন। মনে রাখবেন, সর্ষের তেল একটু বেশি দিলে রান্নার স্বাদ ও ঝাঁজ দুই-ই বাড়বে। ৪. এবার পুরো মিশ্রণটি একটি টিফিন কৌটোয় ভরে মুখ বন্ধ করে দিন। ৫. কড়াইতে গরম জল দিয়ে তার ওপর টিফিন কৌটোটি বসিয়ে মাঝারি আঁচে ১০-১৫ মিনিট ভাপিয়ে নিলেই তৈরি।
তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু কুমড়োপাতা চিংড়ি ভাপা। গরম ভাতের সঙ্গে এই পদটি এই তীব্র গরমেও মুখে রুচি ফেরাতে সাহায্য করবে।



