শিলিগুড়িঃ নকল ডিমান্ড ড্রাফট (ডিডি) বানিয়ে ব্যাংকের কাছ থেকে হাতানো হয়েছিল তিন কোটি টাকা। এমনকি, সেই নকল ডিডি থেকে ওই টাকা অভিযুক্তের অ্যাকাউন্টেও চলে গিয়েছিল। তা থেকে কিছু টাকা তুলেও নেয় অভিযুক্ত। পরে অবশ্য ব্যাংকের সদর কার্যালয় থেকে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য আসতেই বিষয়টি জানাজানি হয়। খোঁজ পড়ে অভিযুক্তের। চাপে পড়ে টাকা ফেরত দেয় সে। যদিও ওই ডিডি কোথা থেকে এল, কীভাবেই অনুমোদন পেল ব্যাংকের অন্দরে এমন প্রশ্ন উঠেছে। ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে অভিযুক্ত এক কোম্পানি মালিকের বিরুদ্ধে পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
ব্যাংক সূত্রে খবর, গত ২৫ এপ্রিল সন্দীপকুমার মজুমদার নামের শহরের এক বাসিন্দা হিলকার্ট রোডে একটি ব্যাংকের শাখায় থাকা কারেন্ট অ্যাকাউন্টে নিজ কোম্পানির নামে একটি ডিডি জমা দেন। কিছুদিন পর সেটি অনুমোদন পায় ও তার কারেন্ট অ্যাকাউন্টে তিন কোটি টাকা ঢুকেও যায়। ওই ব্যাংকের শাখা প্রধানের অভিযোগ, টাকা ঢোকার পর প্রথমে ৮ লক্ষ পরে ৯ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা সেখান থেকে ওই ব্যক্তি নিজের সেভিংস অ্যাকাউন্টে তুলে নেয়। ডিডি অনুমোদনের পরই ওই ব্যাংকে হেড অফিস থেকে ফোন আসে। সেখানে বলা হয়, যে ব্রাঞ্চ থেকে ওই ডিডি ইস্যু হয়েছে, সেখানে ওটি প্রসেসিংয়েই বাতিল হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ যে ডিডি হিলকার্ট রোডের ব্রাঞ্চে জমা দেওয়া হয়েছে সেটা ভুয়ো। এরপরই ব্রাঞ্চ থেকে অ্যাকাউন্টটি ব্লক করা হয়।

