উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সকালের এক কাপ ধোঁয়া ওঠা কফি (Coffee) আলস্য কাটিয়ে শরীর ও মনে সতেজতা আনে ঠিকই, কিন্তু দিনের মধ্যে বারবার কফি খাওয়ার অভ্যাস যখন আসক্তিতে পরিণত হয়, তখনই বিপদ। অতিরিক্ত ক্যাফিন শরীরে প্রবেশ করলে অনিদ্রা, হজমের সমস্যা, বুক ধড়ফড় করা এমনকি চরম দুশ্চিন্তার (Anxiety) মতো শারীরিক ও মানসিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। এই আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে হুট করে কফি বন্ধ না করে মেনে চলতে পারেন কিছু বৈজ্ঞানিক কৌশল।
ডায়েটে প্রোটিনের জোর
খালি পেটে কফি খাওয়ার অভ্যাস আসক্তি বাড়ায়। রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে এবং দীর্ঘক্ষণ শরীরে শক্তি ধরে রাখতে ডিম, বাদাম বা দইয়ের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান। পেট ভরা থাকলে ক্যাফিনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা অনেকটাই কমে আসে।
পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম
কফি মূলত ঘুমের অভাব ঢাকতে ব্যবহৃত হয়। রাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম হলে দিনের বেলা শরীর এমনিতেই চনমনে থাকবে। ক্লান্তিকে কফি দিয়ে না চেপে বরং বিশ্রাম দিয়ে মেটানোর চেষ্টা করুন।
বিকল্প পানীয় বেছে নিন
কফি খাওয়ার অভ্যাসটি মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক বিষয়। কাপে চুমুক দেওয়ার এই অনুভূতি বজায় রাখতে কফির বদলে গ্রিন টি, আদা চা বা ভেষজ চা (Herbal Tea) পান শুরু করুন। এতে ক্যাফিন যেমন কম থাকে, তেমনই শরীরের টক্সিন দূর হয়।
জলের ওপর ভরসা রাখুন
শরীরে জলের ঘাটতি হলে ক্লান্তিভাব আসে, যা দূর করতে আমরা কফির সাহায্য নিই। তাই যখনই কফি তৃষ্ণা পাবে, আগে এক গ্লাস জল খেয়ে নিন। এতে শরীর আর্দ্র হবে এবং কফির চাহিদা কমবে।
ধীরে ধীরে পরিমাণ কমান
হঠাৎ কফি বন্ধ করলে মাথাব্যথা বা মেজাজ খিটখিটে হতে পারে। তাই ধাপে ধাপে এগোতে হবে। দিনে ৪ কাপের বদলে ৩ কাপ খান, কফির কাপের আকার ছোট করুন অথবা কফির লিকার পাতলা করে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

