নয়াদিল্লিঃ রোহিত শর্মা টি২০ ফরম্যাটকে বিদায় জানিয়েছেন। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে অবসর গ্রহে বিরাট কোহলিও। ওপেনিংয়ে একাধিক শূন্যস্থান। যদিও লড়াইয়ে লম্বা লাইন। শুভমান গিল, যশস্বী জয়সওয়াল, রুতুরাজ গায়কোয়াড়…। তালিকায় নবতম সংযোজন অভিষেক শর্মা।
সিরিজের শেষ তিন ম্যাচে যশস্বী যোগ দিচ্ছেন। তখন ওপেনিং জুটি কী হবে? দ্বিতীয় ম্যাচে অভিষেকের দুরন্ত শতরানের পর সেই প্রশ্নটাই ছুড়ে দিয়েছেন অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার।জিম্বাবোয়ের কিংবদন্তি ক্রিকেটারের মতে, পালাবদলের পর্বে ভারতীয় দল। ফলস্বরূপ জয়সওয়াল বনাম অভিষেক আকর্ষণীয় যুদ্ধের হাতছানি! বলেন, ‘জয়সওয়াল দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পর নির্বাচকরা, ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট কী করে, তা দেখার জন্য সবাই তাকিয়ে। ব্যাপারটা বেশ আকর্ষণীয় হতে চলেছে। হাতে এরকম একঝাঁক বিকল্প, ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য দারুণ ব্যাপার।’


অভিষেকের মারকাটারি ইনিংস নিশ্চিতভাবেই দ্বিধায় ফেলেছে ম্যানেজমেন্টকে। বছর তেইশের তরুণের পাওয়ার হিটিংয়ের ক্ষমতাকে অস্বীকার সহজ নয়। বিশেষত, দলের থিংকট্যাংকে এমন দুজন রয়েছেন, যাঁরা অভিষেকের ক্ষমতা, দক্ষতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।
একজন অধিনায়ক শুভমান গিল। বন্ধু ভারতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর অভিষেককে প্রথম ফোনটা করেছিলেন শুভমানই। দ্বিতীয়জন হেডকোচ ভিভিএস লক্ষ্মণ, যিনি কিনা অভিষেকের আইপিএল টিম সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সহকারী কোচ। ছেলের সাফল্যে গর্বিত বাবা রাজকুমার শর্মার মুখেও দুজনের কথা।
প্রথম ম্যাচে ৪ বলে শূন্যের পর মনমরা ছিলেন। ছক্কা মারার ঘোরে উইকেট উপহার মানতে পারছিল না। বাবা রাজকুমারই বোঝান, বিগহিটের ক্ষমতাই ভারতীয় দল পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে। ব্যাটিং স্টাইলে তাই কখনোই পরিবর্তন করা উচিত নয়। নিজের সহজাত খেলাই উচিত।
শুভমান-লক্ষ্মণ প্রসঙ্গে বলেন, ‘শনিবারের ম্যাচের পর শুভমান, কোচ-সাবও কথা বলেন। লক্ষ্মণ স্যর বোঝান, ‘আইপিএলে তুমি বিশ্বসেরা বোলারদের পিটিয়েছ। আইপিএল ম্যাচ মনে করে, সময় নিয়ে নিজের খেলাটা খেলো। তাহলে তোমাকে কেউ থামাতে পারবে না।’
দুই বন্ধুর জুটি নিয়েও বড় ভবিষ্যদ্বাণীও করলেন রাজকুমার শর্মা। আত্মবিশ্বাসী গলায় বলেন, ‘শুভমান অধিনায়ক হওয়ায় সুবিধাও হয়েছে অভিষেকের। অনূর্ধ্ব-১৪ থেকে দুজনে পঞ্জাবের হয়ে ওপেন করছে। এখন ভারতীয় দলে। আমার কথাটা লিখে রাখুন, বিস্ফোরক ওপেনিং জুটি হয়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে ভারতকে প্রচুর ম্যাচও জেতাবে।’

