উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলা যুদ্ধের (Iran-US War) চতুর্থদিনে আকাশপথ আংশিক সচল হতেই স্বস্তির খবর। গত সপ্তাহান্তের গণ-বাতিলের পর মঙ্গলবার থেকে ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যের (Middle East) মধ্যে সীমিত পরিসরে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে (Limited flights)। বিশেষ করে সৌদি আরবের জেড্ডা (Jeddah) থেকে ইন্ডিগো ১০টি বিশেষ ত্রাণ ফ্লাইট চালানোর ঘোষণা করেছে, যা মুম্বই, দিল্লি, আহমেদাবাদ ও হায়দরাবাদে পৌঁছাবে।
ভারত সরকার উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS) উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী আশ্বস্ত করেছেন যে, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
বিভিন্ন রাজ্য সরকারও তাদের নাগরিকদের জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া জানিয়েছেন, দুবাই ও বাহরিনে তাদের রাজ্যের ১০৯ জন আটকে রয়েছেন। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার প্রবাসীদের মাস্কট হয়ে কোচিতে ফেরার পরামর্শ দিয়েছে, কারণ ওমান থেকে বিমান চলাচল তুলনামূলক স্বাভাবিক। অন্যদিকে, তেলেঙ্গানা ও পঞ্জাব সরকার দিল্লিতে কন্ট্রোল রুম ও ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন চালু করেছে।
উদ্বেগ বাড়ছে উত্তরপ্রদেশের আমেঠির শিক্ষার্থীদের নিয়েও, যারা ইরানে আটকে পড়েছেন। হিমাচলপ্রদেশ সরকারও বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। যদিও সীমিত সংখ্যক বিমান চলাচল শুরু হয়েছে, তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং আকাশপথ সম্পূর্ণ খোলার বিষয়টি এখনও নির্ভর করছে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি ও নিরাপত্তার ওপর। লক্ষ লক্ষ ভারতীয় পরিবার বর্তমানে এক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

