উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি (LPG) সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় তীব্র সংকটের মুখে পড়েছে দেশের বড় শহরগুলো। বিশেষ করে বেঙ্গালুরু ও কলকাতার মতো শহরে যেখানে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী এবং আইটি কর্মীরা মেস বা হোটেলের খাবারের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে এখন ত্রাহি ত্রাহি দশা। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের ঘাটতির কারণে অনেক মেস পরিষেবা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে, আবার কোথাও খাবারের মেনু ছোট করে ফেলা হচ্ছে।
কম গ্যাসে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: জ্বালানি বাঁচাতে এবং শরীরের পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে পুষ্টিবিদরা কম সময়ে রান্না করা যায় এমন কিছু খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন:
-
প্রাতঃরাশ: দ্রুত শক্তির জোগানে চিঁড়ে বা সুজির উপমা সেরা বিকল্প। এছাড়া সেদ্ধ ডিম ও টোস্ট প্রোটিনের ভালো উৎস। গ্যাসের ব্যবহার এড়াতে টক দই ও ফল খাওয়া যেতে পারে।
-
দুপুরের খাবার: প্রেসার কুকারে দ্রুত রান্না হওয়া ডাল এবং ভাত আদর্শ। পুষ্টি বাড়াতে এর সঙ্গে লাউ বা ঝিঙের মতো জলীয় সবজি বা সবজি খিচুড়ি রাখা যেতে পারে।
-
রাতের খাবার: সহজে হজমযোগ্য রুটি ও হালকা সবজির তরকারি। এছাড়া প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে ডিমের ভুজিয়া বা সবজির স্যুপ ভালো বিকল্প।
-
সাপ্তাহিক পুষ্টি: সপ্তাহে অন্তত একদিন মাছ বা মাংসের পদ পেশি ও শরীরের শক্তি বজায় রাখতে অত্যন্ত জরুরি।
গাজর, বিনস বা লাউয়ের মতো সবজিতে প্রচুর ফাইবার ও ভিটামিন থাকে। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে রান্না করলে একদিকে যেমন জ্বালানি সাশ্রয় হয়, অন্যদিকে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টিও নিশ্চিত করা সম্ভব। এই সংকটের সময়ে পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবারই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি।

