শিলিগুড়ি: মাটিগাড়ায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের (Rape and Murder) ঘটনায় ১ বছরেই মিটল বিচারপর্ব। ২০২৩ সালের ২১ অগাস্ট মাটিগাড়ায় জঙ্গলের ভেতর একটি পরিত্যক্ত ঘরে একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছিল মহম্মদ আব্বাস নামে এক ব্যক্তি। ধর্ষণের সময় নির্মম শারীরিক অত্যাচারের জেরে মৃত্যু হয় ওই নাবালিকার। এরপর পরিচয় গোপন করতে ইট দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয় নির্যাতিতার মুখ।
ঘটনায় তোলপাড় পড়ে যায় সর্বত্র। পুলিশ তদন্তে নেমে সিসি ক্যামেরায় দেখতে পায় সাইকেলে বসিয়ে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যাচ্ছে মহম্মদ আব্বাস। এরপরই আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানুয়ারি থেকে শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। মোট ২২ জন সাক্ষী দেয়। পুলিশের তদন্তে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এলাকার এক কনস্টেবলের সাক্ষ্য, যিনি আব্বাসকে ওই ছাত্রীকে সাইকেলে বসিয়ে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্য দেয় ১৩ বছরের এক শিশুও। যে ঘটনাস্থলে ‘ধুপ-ধুপ’ শব্দ শুনতে পেয়েছিল বলে পুলিশকে জানায়। এমনকি অভিযুক্তকেও এলাকায় দেখতে পায়। মহম্মদ আব্বাসের সাইকেল চালানোর ধরনও তাকে চিনতে পুলিশকে তদন্তে সাহায্য করেছে বলে জানা গেছে। যাবতীয় সাক্ষ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে এদিন শিলিগুড়ি আদালতের অ্যাডিশনাল সেশনস জাজ কোর্টের (পস্কো) বিচারক অনিতা মেহেত্রা মাথুর মহম্মদ আব্বাসকে দোষী সাব্যস্ত করে। ৬ সেপ্টেম্বর সাজা ঘোষণা করবে আদালত।

