উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বর্তমানে মরশুম বদলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হাম ও পক্সের প্রকোপ। শুধু শিশুরাই নয়, বড়রাও আক্রান্ত হচ্ছেন এই ভাইরাসঘটিত রোগে। বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে এই রোগের নির্দিষ্ট কোনও সময় থাকছে না। সংক্রমণ তীব্র হওয়ায় অনেক সময় টিকা নেওয়ার পরেও আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে শিশুদের। এই পরিস্থিতিতে ওষুধের পাশাপাশি সঠিক পথ্য বা ডায়েটই দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার প্রধান চাবিকাঠি (Measles and Pox Diet)।
শরীরে কিসের ঘাটতি হয়?
হাম বা পক্স হলে শরীর থেকে প্রচুর জল ও তরল বেরিয়ে যায়, ফলে জলশূন্যতা দেখা দেয়। সংক্রমণের কারণে প্রধানত ভিটামিন এ-র ব্যাপক ঘাটতি ঘটে, যা চোখের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়াও পেশি ক্ষয়ের ফলে প্রোটিন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় জিঙ্ক ও ভিটামিন সি-র অভাব দেখা দেয়।
সুস্থতায় সেরা পথ্য: কী খাওয়াবেন?
ভিটামিন ও খনিজ: ভিটামিন সি-র জন্য কমলালেবু, মুসাম্বি বা পেয়ারা খাওয়ান। ভিটামিন এ-র ঘাটতি মেটাতে পাতে রাখুন মিষ্টি কুমড়ো, গাজর, পালং শাক ও পাকা পেঁপে।
হালকা খাবার: মুখে অরুচি থাকলে ভাত জোর করে না খাইয়ে দুধ-সুজি, সাবুদানার খিচুড়ি বা ওটস দিতে পারেন। দুপুরের দিকে চটকানো কলা বা সেদ্ধ আপেলও বেশ উপকারী।
মাছ ও মাংস: শিশুর প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে শিং বা মাগুর মাছের মতো জিওল মাছ খাওয়ান, যা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড জোগাবে। দিতে পারেন হালকা চিকেন স্ট্যু। তবে একদিনে মাছ, মাংস, ডিম সব না দিয়ে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দিন।
বাদামের গুণ: দুধে অনীহা থাকলে ক্যালসিয়ামের জন্য আমন্ড, আখরোট বা কাজু বাদাম দেওয়া যেতে পারে।
প্রোটিন সমৃদ্ধ স্যুপ: সোনা মুগ ডাল, গাজর ও পেঁপে কুচি সামান্য নুন-হলুদ দিয়ে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে নিন। নামানোর আগে এক চামচ ঘি মিশিয়ে দিন। এটি যেমন সহজপাচ্য, তেমনই প্রোটিন ও ফাইবারে ঠাসা।

