কিশনগঞ্জ: এনডিকে ভোট দেবেন না। ওরা ভোট চুরি করে। ওদের ভোট চুরি আমি ধরে ফেলেছি। তাই নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শা আমাকে ভয় পায়। রবিবার বিহারের কিশনগঞ্জ জেলার বাহাদুরগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন রাহুল গান্ধি। এদিনের সভা থেকে বিহারে এনডিএর নীতীশ সরকারের পরিবর্তনের ডাক দেন তিনি।
বিহারে শুরু হয়ে গিয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই সেরাজ্যে হয়ে গিয়েছে প্রথম দফার নির্বাচন। আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন হবে কিশনগঞ্জ জেলার বাহাদুরগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী অধ্যাপক মসিব্বুর আলমের সমর্থনে রবিবার রাসেল হাই স্কুল ময়দানে একটি জনসভা করে গেলেন রাহুল। এদিন জনসভায় বক্তব্য রাখতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধি বলেন, এসআইআরের নামে বিজেপির ভোটচুরি আমি ধরে ফেলেছি। ওরা ভোট চুরি করে। সেইজন্য আগামী ১১ নভেম্বর ভোটের দিন সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যাতে ওরা ভোট চুরি করতে না পারে। এনডিকে ভোট দেবেন না। মোদি-অমিত শা আমাকে ভয় পায়। ভোটদান জনতার হাতিয়ার। আর এই হাতিয়ারের সাহায্যেই বিহারে বদল আনতে হবে এনডিএর নীতীশ সরকারকে।”
রাহুল গান্ধি আরও বলেন, “হিংসার বাজারে ভালোবাসার দোকান খুলতে বেড় হয়েছি। আমি দেশ থেকে হিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে চাই। কিন্তু মোদি রক্ত ও হিংসার রাজনীতি করছেন। আর দেশে বিভাজন সৃষ্টি করছেন। কিন্তু কংগ্রেস কোনওদিন হিংসার পথে চলেনি। তাই একদিকে ওরা আর অন্যদিকে আমরা।”
এদিনে সভায় বিহারের কর্মসংস্থান নিয়েও সওয়াল করেন রাহুল। তিনি বলেন, বিহারে কোনও কর্মসংস্থান নেই। সেকারণে বিহারের যুবক-যুবতীরা কাজের সন্ধানে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন। আর্থ-সামাজিকভাবে এই রাজ্য অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। সরকার পরিবর্তন হলে বিহারের চাকরিপ্রার্থীদের কাজের জন্য ভিনরাজ্যে যেতে হবে না। এখানে শিক্ষার অভাব রয়েছে। এবার আমাদের সুযোগ দিন। আমরা শিক্ষার বন্যা বইয়ে দেব। নতুন নতুন স্কুল কলেজ ও বিশ্ব বিদ্যালয় স্থাপন করব। আর শিক্ষার উন্নয়ন হলে রাজ্যে রোজগারের সৃষ্টি হবে। এই সরকার রাজ্যের ২৫ লাখ ভোট চুরি করেছে ও করবেও।

