উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ আইপিএলের মঞ্চে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে লখনউ সুপার জায়ান্টসের জয়ের নায়ক তিনি। ট্রেভিস হেড ও অভিষেক শর্মার মতো বিধ্বংসী ব্যাটারদের সাজঘরে ফিরিয়ে কার্যত লখনউয়ের জয় নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু ম্যাচের শেষে মহম্মদ শামির গলায় শোনা গেল একরাশ অভিমান আর ক্ষোভ (Mohammed Shami)। নাম না করে নির্বাচক ও কোচদের নিশানা করে শামির সাফ বার্তা— পারফরম্যান্স না দেখতে পেলে তাঁর কিছু করার নেই।
চোট সারিয়ে ফেরার পর ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলার হয়ে নিয়মিত খেলেছেন শামি। প্রত্যাশা ছিল জাতীয় দলে ফেরার। কিন্তু কোনও ফরম্যাটেই ডাক মেলেনি। এদিন শামি বলেন, “খেলতে চাইলে খেলাটার কাছাকাছি থাকা খুব দরকার। ফিট থাকতে তবেই দক্ষতা নিয়ে কাজ করা যায়। সে কারণেই আমি ঘরোয়া ক্রিকেটের সব ম্যাচ খেলেছি। আমি তো আর যন্ত্র নই! মরসুমে উত্থান-পতন আসতেই পারে। গত কয়েক বছর ধরে আমি ভাল খেলছি, সেটা লোকে না দেখলে আমার কিছু করার নেই।”
নিজের এই দুরন্ত ফর্মের কৃতিত্ব লখনউয়ের বোলিং কোচ ভরত অরুণকে দিয়েছেন শামি। ভারতীয় দলেও অরুণের অধীনে দীর্ঘদিন খেলেছেন তিনি। শামি জানান, “ভরত ভাইয়ের সঙ্গে আমার বোঝাপড়া খুব পুরনো এবং গভীর। লখনউ আমার কাছে দ্বিতীয় বাড়ির মতো, তাই মানিয়ে নিতে সময় লাগেনি।” গত আইপিএলে ৯ ম্যাচে মাত্র ৬ উইকেট পাওয়া শামি এবার নতুন ও পুরনো— দুই বলেই যেভাবে নিয়ন্ত্রণ দেখাচ্ছেন, তা নির্বাচকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলার জন্য যথেষ্ট।
বাংলার এই স্পিডস্টার স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তিনি শুধু নিজের পরিশ্রম আর দক্ষতার ওপর ভরসা রাখেন। বাকি বিষয় নিয়ে তাঁর কোনও মাথাব্যথা নেই। তাঁর কথায়, “আমি শুধু পরিশ্রম করি, বাকিটা উপরওয়ালা দেখে নেবেন। নতুন বলের শক্তি আমি বরাবর কাজে লাগাতে চাই। দলের কাজে কী ভাবে লাগা যায়, সেটাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।”

