উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের বাংলায় রাজনীতির উত্তাপ যত বাড়ছে, জনসংযোগের রসায়নও তত বদলাচ্ছে। খুন্তি নাড়িয়ে চপ ভাজা বা চায়ের ভাঁড়ে আড্ডা— বাংলার ভোট-সংস্কৃতিতে এসব নতুন নয়। কিন্তু ঝাড়গ্রামের রাস্তায় কনভয় থামিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) ঝালমুড়ি খাওয়ার দৃশ্য এবার প্রচারের সব লাইমলাইট কেড়ে নিল। চড়া রোদে রাজনৈতিক ভাষণের মাঝেই যেন এক পশলা টাটকা বাতাস হয়ে এল প্রধানমন্ত্রীর এই ‘মুড়ি-রাজনীতি’।
ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামের সভা শেষে হেলিপ্যাডের পথে হঠাৎ রাজ কলেজ মোড়ে থামে মোদীর গাড়ি। কোনো ফাইভ-স্টার আয়োজন নয়, রাস্তার ধারের সাধারণ দোকানেই ১০ টাকার নোট বাড়িয়ে মুড়ি চান প্রধানমন্ত্রী। দোকানি পেঁয়াজ দেওয়ার অনুমতি চাইলে প্রধানমন্ত্রীর কৌতুকপূর্ণ জবাব ছিল, “পেঁয়াজ খাই, কিন্তু মানুষের মাথা খাই না।” সর্ষের তেলের ঝাঁঝ মেশানো সেই মুড়ির ঠোঙা তিনি একাই শেষ করেননি; পাশে থাকা শিশু ও সাধারণ মানুষের সাথে ভাগ করে নেন।


বিরোধীরা একে ‘নির্বাচনী চমক’ বলে দেগে দিলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলার মানুষের নাড়ি বুঝতে মাটির খাবারের বিকল্প নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘চা-চপ’ রণকৌশলকে টেক্কা দিতে মোদীর এই ঘরোয়া অবতার বঙ্গ-রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করল। ইভিএমে এর প্রভাব কতটা পড়বে তা বলা না গেলেও, মোদীর এই ‘মুড়ি-মশলা’ আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় হিট।

