উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বাইরে বেরোলেই গরম, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঘাম। এই অতিরিক্ত ঘাম আর ধুলোবালি যখন রোমকূপের মুখে গিয়ে জমে, তখনই শুরু হয় আসল অস্বস্তি। কারও গালে লালচে র্যাশ, কারও কপালে ছোট ছোট ঘামাচির মতো দানা, আবার কারও ত্বক চুলকানি আর জ্বালাপোড়ায় নাজেহাল (Heat Rash)। এই অবস্থায় বাজারচলতি কড়া রাসায়নিক যুক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হওয়ার ভয় থাকে সবথেকে বেশি। গরমের এই ‘স্কিন ইরিটেশন’ দূর করতে রান্নাঘরের কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ম্যাজিকের মতো কাজ করতে পারে। সেগুলি কী কী? জেনে নিন।
অ্যালোভেরা ও শসা
ত্বক ভেতর থেকে উত্তপ্ত হয়ে থাকলে অ্যালোভেরা জেল আর শসার রসের মিশ্রণ ক্লান্তি দূর করে। শসার রস জ্বালা ভাব কমায় আর অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক অ্যান্টি-সেপটিক হিসেবে কাজ করে। বাইরে থেকে ফিরে এই মিশ্রণটি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে।
নিমের গুণ
ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমণ রোধে এক মুঠো নিম পাতা বাটা বা নিমের গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য বেসন আর জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। নিম ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস করবে আর বেসন ত্বকের গভীরে জমে থাকা ঘাম-ময়লা টেনে বের করে আনবে।
মুলতানি মাটি ও টক দই
যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের জন্য এই প্যাক আদর্শ। দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে কোমল রাখে আর মুলতানি মাটি অতিরিক্ত তেল শুষে নিয়ে কালচে ছোপ দূর করে।
চন্দনের প্রলেপ
গরমের র্যাশ কমাতে চন্দনের বিকল্প নেই। এর শীতল গুণাগুণ ত্বকের প্রদাহ কমিয়ে নিমেষেই আরাম দেয়। চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে সেই মিশ্রণটি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। খুব চুলকানি হলে মিশ্রণটি ৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল হবে।
মনে রাখবেন, গরমের র্যাশ থেকে মুক্তি পেতে শুধু দামী প্রোডাক্ট মাখলেই হবে না, ত্বককে রাখতে হবে রাসায়নিক মুক্ত। তাই এই মরসুমে নিজের রূপটান তালিকায় যোগ করুন প্রকৃতির এই সহজ সমাধানগুলি।

