উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ঠিক যেন ৫ বছর আগের পুনরাবৃত্তি। সেইবারও পশ্চিমবঙ্গে ঘেঁষা বিহারের(Bihar) সীমাঞ্চলে কংগ্রেসের সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসিয়ে ছিল আসাদউদ্দিন ওয়াইসির এআইমিম। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটল না। শুক্রবারের ভোটের(Election) ফল বলছে, এবার মিম এই এলাকার ২৪টি আসনের মধ্যে ৫টি দখল করেছে। যা গতবারের সমান। বিপরীতে মাত্র ৪টি আসনে জয়ী হয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থীরা। তবে মর্যাদার লড়াইয়ে রাহুল গান্ধির দল কিশনগঞ্জ আসনটি ধরে রেখেছে। মাত্র একটিতে জয় পেয়েছে আরজেডি। কংগ্রেস-আরজেডি জোট ও মিমের মধ্যে ভোট কাটাকাটির সুযোগে ১৪টি আসনে জিতেছেন এনডিএ প্রার্থীরা। সবচেয়ে লাভবান নীতীশ কুমারের জেডিইউ। ২টি আসনে খুব কম ব্যবধানে নীতীশ কুমারের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। জোকিহাট, বাহাদুরগঞ্জ, ঠাকুরগঞ্জ, কোচাধামান ও আমৌরে জয়ী হয়েছে ওয়াইসির দল।
২০২০-র বিধানসভা ভোটে সীমাঞ্চলে ১২টি আসন দখল করেছিল এনডিএ। মহাগঠবন্ধন ৭টি আসনে জিতেছিল। অপ্রত্যাশিতভাবে মিম জেতে ৫টিতে। পরে অবশ্য মিমের ৪ বিধায়ক দল ছেড়ে আরজেডিতে শামিল হন। কিন্তু তাতে যে তৃণমূলস্তরে ওয়াইসির ভোটব্যাংকে ফাটল ধরেনি, তা সদ্য সমাপ্ত ভোটে বোঝা গিয়েছে। যদিও বিহারের অন্যান্য জায়গার তুলনায় জাতপাতের রাজনীতির নিরিখে সীমাঞ্চলের ফল কংগ্রেস-আরজেডির অনুকূলে থাকার কথা ছিল। কিশনগঞ্জ অঞ্চলে মুসলিম জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৬৭.৮ শতাংশ। কাটিহারে তা ৪৪.৪ শতাংশ। আরারিয়া ও পূর্ণিয়ায় যথাক্রমে ৪২.৯ শতাংশ এবং ৩৮.৪৬ শতাংশ। এমন একটি এলাকায় প্রধান বিরোধী জোটের খারাপ ফলের জন্য সংখ্যালঘু ভোট ভাগই যে দায়ী, তা মেনে নিয়েছেন কংগ্রেস ও আরজেডি নেতারা। বিহারে নজিরবিহীন খারাপ ফল সত্ত্বেও কংগ্রেস অবশ্য সীমাঞ্চলে তুলনায় ভালো অবস্থায় রয়েছে। রাজ্যে দলের ৬ বিধায়কের দুই-তৃতীয়াংশই এখান থেকে জয়ী হয়েছেন।
Bihar Election | সীমাঞ্চলে ১৪ আসনে জয়! সংখ্যালঘু ভোট ভাগের ‘ফসল’ ঘরে তুলল এনডিএ
শেষ আপডেট:
Categories
জাতীয়
