উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: শীত পড়তেই সর্দি-কাশিতে ভোগে সন্তান। এই অবস্থায় কাফ সিরাপ খাওয়াতে ভয় পান অভিভাবকরা। তবে এই সমস্যা দূর করতে হলে শিশুর খাবারে ৫ ধরনের পুষ্টি উপাদান থাকা আবশ্যক (Child Health)। সেগুলি কী কী?
ভিটামিন ডি
শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকে শিশু ঘনঘন সর্দি-কাশিতে ভুগতে পারে। এই ভিটামিনওইমিউনিটি শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। বাচ্চা যত বেশি রোদে খেলাধুলো করবে, শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি হবে। এছাড়া ফর্টিফায়েড দুধ, ডিম, মাছ, মাশরুম বাচ্চার ডায়েটে রাখতে পারেন।
ফাইবার
অন্ত্র ও হজমের স্বাস্থ্য বজায় ফাইবার অপরিহার্য। সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে ফাইবার। এক্ষেত্রে ওটস, ডালিয়ার মতো দানাশস্য, ডাল ইত্যাদি খাওয়াতে পারেন খুদেকে।
ভিটামিন সি
ভিটামিন সি হলো শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শ্বেতকণিকার কার্যকারিতাকে সচল রাখে। যে কোনও ভাইরাল সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে শরীরকে। ফুসফুসের প্রদাহ কমায় এবং সর্দি-কাশির হাত থেকে মুক্তি দেয়। বাচ্চার শরীরে ভিটামিন সি-র ঘাটতি মেটাতে এই শীতে পেয়ারা, লেবুজাতীয় ফল খাওয়াতে পারেন।
প্রোবায়োটিক্স
অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য প্রোবায়োটিক্স। আর অন্ত্র ভালো থাকলে একাধিক রোগের ঝুঁকি অনায়াসে এড়াতে পারবেন। অন্ত্রের মাইক্রোবিয়াম ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে এবং ফুসফুসের প্রদাহ কমায়। শরীরে প্রোবায়োটিকের ঘাটতি মেটাতে বাচ্চাকে রোজ দই খাওয়াতে পারেন।
জিঙ্ক
ঠান্ডা লাগার ধাত থাকলে বাচ্চার ডায়েটে জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার রাখতে ভুলবেন না। এই পুষ্টিও সর্দি-কাশির হাত থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ডাল, বাদাম-বীজ, গোটা শস্য, ডিম ও চিকেন।

