সামসী: সামসী(Samsi) গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরের পাশেই রয়েছে ২ বিঘা জমির উপর একটি পুকুর। সংস্কারের অভাবে বর্তমানে পুকুরটির বেহাল দশা। সম্প্রতি পুকুরটি সংস্কারের জন্য পুকুরের পাড়ে থাকা ৭টি পরিবারকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয় প্রশাসন। পরিবারগুলি এখানে ৩০-৪০ বছর ধরে বসবাস করছে। অভিযোগ, পঞ্চায়েতের তরফে তাদের কাছ থেকে রসিদের বিনিময়ে মাসিক ভাড়া নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাদেরকে হয়রান করার জন্য নোটিশ জারি করে একাধিক বার শুনানিতে ডাকা হয়। এবার এই পরিবারগুলির থেকে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠল সামসী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মণীষা দাসের স্বামী সিদ্ধার্থ রায় ওরফে পাপাইয়ের বিরুদ্ধে।
উচ্ছেদের নোটিশ পাওয়া অর্চনা দাস, দ্রুপদ কুমার দাস, বিশাখা দাসেরা জানিয়েছেন, প্রধান মনীষা দাসের স্বামী সিদ্ধার্থ রায় ওরফে পাপাই তাদের ৭টি পরিবারের কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। টাকা দিলে উচ্ছেদ করা হবে না বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি। গত ৮ অক্টোবর। চাঁচলের মহকুমাশাসকের কাছে এই নিয়ে অভিযোগও দায়ের করেছেন তাঁরা। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে সিদ্ধার্থ রায় ওরফে পাপাই সাফ বলেন, ‘আমি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। আমার স্ত্রী প্রধান। উনি যথেষ্ট শিক্ষিতা। দক্ষতার সঙ্গেই পঞ্চায়েত পরিচালনা করছেন। পঞ্চায়েতের কাজে আমি কোন নাক গলাই না। অতএব, কারোর কাছে টাকা চাওয়ার প্রশ্নই নেই।’
প্রধান মনীষা দাস বলেন, ‘দেড় বছর ধরে পুকুরটি সংস্কারের জন্য তিনি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অবশেষে, মহকুমা প্রশাসন জবরদখলকারীদের ১৫ দিনের মধ্যে সরকারি জায়গা খালি করতে বলেছে। ’ পরিবারগুলো উচ্ছেদ হলে তারা কোথায় বসবাস করবে এনিয়ে অবশ্য কোন দিশা দেখাতে পারেননি তিনি। তবে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে টাকা চাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান। চাঁচলের(Samsi) মহকুমাশাসক শৌভিক মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।
Samsi | পুকুর সংস্কারের জন্য ৭ পরিবারকে উচ্ছেদের পরিকল্পনা! টাকা দাবির অভিযোগ প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে
শেষ আপডেট:
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে।
ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

