উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu & Kashmir)। এরই মাঝে বৈষ্ণোদেবীর যাত্রাপথে ধস নেমে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের (Vaishno Devi Landslide)। আহতও হয়েছেন অনেকে। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। ধস নেমে পূণ্যার্থীদের মৃত্যুর ঘটনায় এবার শোকপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। একইভাবে এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদমনা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (West Benagl CM Mamata Banerjee)।
বুধবার এক্স হ্যান্ডেলের একটি পোস্টে মোদি লেখেন, ‘বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে যাওয়ার পথে ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনা দুঃখজনক। শোকাহত পরিবারগুলির প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আহতরা দ্রুত আরোগ্য লাভ করুক। প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত সকলকে সহায়তা করছে। সকলের নিরাপত্তা ও মঙ্গল কামনা করি।’
The loss of lives due to a landslide on the route to the Shri Mata Vaishno Devi Temple is saddening. My thoughts are with the bereaved families. May the injured recover at the earliest. The administration is assisting all those affected. My prayers for everyone’s safety and…
— Narendra Modi (@narendramodi) August 27, 2025
এদিকে, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘জম্মু ও কাশ্মীরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে যাওয়ার পথে ভূমিধস) আমাদের চিন্তিত করে তুলেছে। আমি ওখানকার বাসিন্দাদের প্রতি সমবেদনা জানাই।’ সেই সঙ্গে লিখেছেন, ‘এত মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় আমি শোকাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি আহতদের জন্যও প্রার্থনা এবং তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। মা বৈষ্ণোদেবী ওঁদের দ্রুত সুস্থ করুন।’
The natural disasters in Jammu and Kashmir (due to a landslide on way to Shri Mata Vaishno Devi Temple) have kept us worried and I express my solidarity for the people there.
The loss of lives saddens me, and I extend my condolences to the bereaved families. I also pray for the…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) August 27, 2025
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুরে ত্রিকুটা পাহাড়ের চূড়ায় বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরে যাওয়ার পথে ইন্দ্রপ্রস্থ ভোজনালয়ের কাছে ধস নামে। আচমকাই পাহাড়ের ঢাল বেয়ে বড় বড় পাথর, বোল্ডার নেমে আসে। ফলে আতঙ্কে পুণ্যার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। গতকাল শোনা গিয়েছিল ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৪ জন। তবে বুধবার মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ জন হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ২৩ জন। আরও কেউ চাপা পড়ে আছেন কিনা, তা দেখা হচ্ছে। দুর্যোগের কারণে আপাতত বৈষ্ণোদেবী যাত্রা স্থগিত করা হয়েছে। প্রবল বর্ষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জম্মু। ভেঙে পড়েছে একাধিক সেতু। বহু এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। বন্ধ রেল পরিষেবা। দুর্যোগ এখনই কাটছে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। আরও দু-তিনদিন জম্মু ও কাশ্মীরের আবহাওয়া এমনই থাকবে। জম্মুর বিভিন্ন অংশে ফের মেঘভাঙা বৃষ্টি, হড়পা এবং ভূমিধস নামতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দপ্তর।

