উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: শীতের বাজারে এখন টাটকা ফুলকপির ছড়াছড়ি। তবে সাধারণ ফুলকপি-আলুর ডালনার একঘেয়েমি কাটাতে খাদ্যরসিকরা ঝুঁকছেন একটু শাহী খাবারের দিকে। পেঁয়াজ-রসুন ছাড়াও যে কোনো নিরামিষ পদ কতটা সুস্বাদু হতে পারে, তার সেরা উদাহরণ এই ফুলকপির রোস্ট।
উপকরণ ও বিশেষত্ব: এই পদের প্রধান উপকরণ হলো বড় বড় টুকরো করে কাটা টাটকা ফুলকপি। রান্নায় রাজকীয় আমেজ আনতে ব্যবহার করা হয় কাজু ও পোস্ত বাটা। সাথে ফেটানো টক দই গ্রেভিকে করে তোলে আরও সিল্কি ও মুখরোচক। স্বাদ বাড়াতে সামান্য ঘি ও গরম মশলার ব্যবহার একে সাধারণ রান্না থেকে আলাদা করে তোলে।
রন্ধন শৈলী: প্রথমে ফুলকপিগুলোকে নুন জলে ভাপিয়ে নিয়ে হালকা সোনালি করে ভেজে নিতে হয়। এরপর আদা-টমেটো ও মশলার কাইয়ের সাথে দই ও কাজু-পোস্ত বাটা দিয়ে নিপুণভাবে কষানো হয়। সবশেষে ভাজা কপিগুলো সেই ঘন মশলায় মাখা মাখা হয়ে গেলেই তৈরি এই শাহী পদ। কোনো কৃত্রিম রং ছাড়াই কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো ব্যবহারের ফলে এর রং হয় অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
পরিবেশন: রন্ধন বিশেষজ্ঞদের মতে, পোলাও, ফ্রাইড রাইস কিংবা গরম গরম লুচি ও পরোটার সাথে ফুলকপির রোস্টের জুটি জাস্ট জমে যায়। শীতের পিকনিক বা ঘরোয়া রবিবারের দুপুরে ডাল-ভাতের পাশাপাশি এই একটি পদই ভোজের আভিজাত্য বাড়িয়ে দিতে যথেষ্ট।

