শিলিগুড়ি: বাংলায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এই রদবদলের পরেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছিল— তবে কি শিলিগুড়ি পুরনিগমের বর্তমান তৃণমূল বোর্ড এবার ভেঙে দেওয়া হবে? মঙ্গলবার এই জল্পনায় পুরোপুরি ইতি টানলেন বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ (Siliguri MLA Shankar Ghosh)।
শিলিগুড়ি জেলা বিজেপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে শংকর ঘোষ স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। তিনি বলেন, “বিজেপি এমন একটি দল, যারা কোনো নির্বাচিত বোর্ড মাঝপথে ভেঙে দেওয়ার পক্ষপাতী নয়। আমরা চাই শিলিগুড়ি পুরনিগমের বর্তমান বোর্ড তাদের মেয়াদের পূর্ণ সময় অতিবাহিত করুক।”


শংকরবাবু জানান, শিলিগুড়ির উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপির কাউন্সিলাররা বর্তমান বোর্ডকে সবরকম গঠনমূলক সহযোগিতা করবেন। তাঁর মতে, অতীতে বারবার বাংলায় ৩৫৬ ধারা জারির দাবি উঠলেও নরেন্দ্র মোদি সরকার সবসময় নির্বাচিত সরকারকে কাজ করতে দেওয়ার পক্ষে দাঁড়িয়েছে। পুরনিগমের ক্ষেত্রেও সেই একই নীতি বজায় রাখবে বিজেপি। রাজ্যে বিজেপির সরকার থাকলেও পুরনিগমে তাঁরা দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন এবং শিলিগুড়িবাসী যাতে পরিষেবা পান তা নিশ্চিত করবেন।
শংকর ঘোষের এই অবস্থান শিলিগুড়ির রাজনৈতিক অস্থিরতা কমিয়ে দিয়েছে। এর ফলে পুরনিগমের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৃণমূল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে সংশয় তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটল।

