উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ডাক্তার নিসার উল হাসান। একসময় শ্রীনগরের এএমএইচএস হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক। কিন্তু ২০২৩ সালে দেশবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে তাঁকে বরখাস্ত করে জম্মু কাশ্মীর সরকার। সেই চিকিৎসকই সম্প্রতি আল ফালাহ (Al Falah University) বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। ১০ নভেম্বর দিল্লিতে বিস্ফোরণের (Delhi Blast) পর থেকে নিখোঁজ সেই নিসার উল হাসান। হন্যে হয়ে তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন গোয়েন্দারা।
ইতিমধ্যেই দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গে চিকিৎসকদের নেটওয়ার্কের যোগ উঠে এসেছে। বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সহ ধৃত মুজাম্মিল শাকিল ও বিস্ফোরণের সময় গাড়িতে উপস্থিত সন্দেহভাজন সুইসাইড বম্বার উমর উন নবি ওরফে ডঃ উমর মোহাম্মদ এই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। এছাড়াও অপর ধৃত জামাত উল মোমিনাতের ভারতীয় শাখার সন্দেহভাজন প্রধান চিকিৎসক শাহিন শাহিদও এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই অধ্যাপক। এবার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও এক চিকিৎসকের নাম সন্দেহের ঘেরাটোপে উঠে এল।
যদিও একের পর এক চিকিৎসক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়ায় বিবৃতি জারি করেছে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়। বুধবার আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডঃ ভূপিন্দর কৌর আনন্দ একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দিল্লির বিস্ফোরণের ঘটনায় কর্তৃপক্ষ গভীরভাবে মর্মাহত। তবে সন্দেহভাজনরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। এর বাইরে তাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও যোগ নেই। এই ঘটনার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়কে যুক্ত করার চেষ্টা ‘ভিত্তিহীন এবং মানহানিকর’ করে দাবি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি গোয়েন্দা এজেন্সির সঙ্গে তাঁরা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন বলেও বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সংস্থার দক্ষিণ দিল্লি এবং ওখলা অফিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও তদন্তকারী দল তাঁদের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেনি।

