উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক : নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ‘সীমাহীন’ দুর্নীতির কারণে চাকরি গিয়েছে ২০১৬ সালের প্যানেলে থাকা প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর। তার মধ্যে যোগ্যদের ফের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় বসার সুযোগ করে দিতে ও আরও নতুন শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ করতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নবম-দশম শ্রেণির জন্য পরীক্ষা নিল এসএসসি। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর হবে একাদশ দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা। আজ রবিবার মোট ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেন। পরীক্ষা শেষ হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে পরীক্ষার্থী, আধিকারিকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)।
সকাল থেকেই পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল কঠোর। পরীক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন উঠতে না পারে তার জন্য পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রের পাশাপাশি ওএমআর শিটের কপি দেওয়া হয়েছে। যাতে পরীক্ষার্থীরা বুঝতে পারেন তারা কত নম্বর পেতে পারেন। দিনের শেষে দেখা গেছে কোনও গন্ডগোল ছাড়াই পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পেরেছে এসএসসি। এতেই খুশি হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
Today, 3.5 lakh candidates appeared across 636 centres for the Assistant Teacher recruitment exam (Classes IX–X), which was conducted successfully. My sincere congratulations to all candidates, WBCSSC, the School Education Department, and all officials involved. The entire…
— Bratya Basu (@basu_bratya) September 7, 2025
যদিও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে নানা রকম প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। যারা যোগ্য চাকরিহারা তাঁরা সরাসরি এই পরীক্ষায় বসার জন্য সরকারের দুর্নীতিকে দায়ী করেছেন। কোনও ভাবেই তাঁরা সরকারের উপর আস্থা রাখতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন এই প্রক্রিয়াও যে স্বচ্ছ হবে তার গ্যারান্টি কোথায়? লিখিত পরীক্ষায় স্বচ্ছতা থাকলেও ইন্টারভিউতে গিয়ে কী হবে কে বলতে পারে? অর্থাৎ চাকরিহারা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে একটা সরকারের প্রতি আস্থাহীনতা দেখা গেছে সর্বত্রই। অন্যদিকে যারা নতুন পরীক্ষার্থী তাঁরা জানিয়েছেন, চাকরিহারা শিক্ষকরা অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আগে থেকেই ১০ নম্বর পাবেন। সুতরাং তাঁরা এমনিতেই পিছিয়ে থাকবেন। ফলে প্রশ্ন সহজ বা স্বচ্ছতার সঙ্গে পরীক্ষা হলেও তাদের চাকরি পাওয়ার সুযোগ কম।

