সুমন মল্লিক
জন্ম কোচবিহারের তুফানগঞ্জে৷ বর্তমানে শিলিগুড়ি শহরে বসবাস৷ ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর৷ পেশায় স্কুল শিক্ষক৷ লেখালেখি শুরু ২০০৬ সাল থেকে৷ প্রথম কবিতা প্রকাশ ‘বৈতানিক’ পত্রিকায়৷ ২০১৫ সালে প্রথম কবিতার বই ‘আর্দ্র নিশাত’ প্রকাশিত হয়৷ বইটি ২০১৮ সালে সাহিত্য আকাদেমি যুব পুরস্কারের জন্য চূড়ান্ত তালিকায় মনোনীত হয়েছিল৷ প্রকাশিত কবিতার বই বারোটি৷ এর মধ্যে একটি পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির ‘নবস্পন্দন গ্রন্থমালা’য় প্রকাশিত৷ অনুবাদ কবিতার বই দুটি৷ এছাড়া একটি করে গদ্য ও গল্পের বইও আছে৷ দেশ, কৃত্তিবাস, কবিসম্মেলন, ভাষানগর সহ বিভিন্ন পত্রিকা, ওয়েবজিন, উত্তরবঙ্গ সংবাদ সহ বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্র এবং বহুল প্রচারিত মাধ্যমে নিয়মিত লিখে চলেছেন৷ লিখছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রিকাতেও৷ ‘উত্তরের কবিমন’ পত্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক৷ বর্তমানে ‘শিলিগুড়ি জংশন’ পত্রিকার সম্পাদক৷ ২০১৭ সালে ‘চুনী কোটাল স্মৃতি সম্মান’ এবং ২০১৯ সালে শিলিগুড়ির ‘ইচ্ছেবাড়ি’ কর্তৃক প্রদত্ত ‘অমরকুমার বসু স্মৃতি পুরস্কার’ প্রাপক৷
ধৈর্য
ধৈর্য রাখতে রাখতে শিখে গেছি দূরে থাকা
মন এখন আর খোঁজে না আচম্বিতের প্রাপ্তি
বন্ধনপিপাসায় শ্যামকিশোরের সাঁতার নেই
ভাগ্যদোষের চরণে দু’বেলা প্রার্থনা করি না
কলমে আঁখিজল ভরে সিক্ত করি কথাদের
দমিয়ে রাখি স্মরণাগ্নি, কমিয়ে রাখি বিষাদ
অথচ রূপসাগরের তীরে গিয়ে বাঁশি বাজাই
সুরে ভরে রাখি প্রশ্নগরল বিপথগামী বেদনা
এই দৈবশূন্যতায় নিজেকে নিখোঁজ মনে হয়
এমন দমবন্ধ করা মুক্তি তো কখনও চাইনি
যা চেয়েছিলাম তার মাঝে মৃত পাখির মতো
স্থির শুয়ে থাকে অনুতাপে গলে যাওয়া ধৈর্য



