কৌশিক জোয়ারদার
জন্ম মালদা শহরে। অতঃপর চন্দননগর, কলকাতা, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ইত্যাদি অনেক শহর অনেক নদীর ঘাট পেরিয়ে বর্তমানে শিলিগুড়ি শহরের বাসিন্দা। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও গবেষণার পাঠ শেষ করে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়েই তিনি দর্শনশাস্ত্রে অধ্যাপনা করছেন। পেশাগত কারণে দেশ ও বিদেশের নানান জার্নালে গবেষণাধর্মী রচনা প্রকাশিত এবং নরওয়ে, ইতালি ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক আলোচনা সভায় তিনি অংশ নিয়েছেন। বাংলা ভাষায় সৃজনশীল ও মননধর্মী লেখালেখিতেই তাঁর আগ্রহ অধিক, লেখেন কবিতা, প্রবন্ধ ও গল্প। সংগীত তাঁর অন্যতম প্রেম। ছাপার অক্ষরে প্রথম প্রকাশিত লেখার কথা ধরলে সাহিত্য জীবনের পাঁচ দশক অতিক্রান্ত। মূলত লিটল ম্যাগাজিনের লেখক, তবে উত্তরবঙ্গ সংবাদ সহ বেশ কয়েকটি দৈনিক সংবাদপত্রেও নিয়মিত লিখেছেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা নয়টি এবং প্রবন্ধগ্রন্থের সংখ্যা আট। সম্প্রতি তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘অখ্যাতনামা’ পাঠক মহলে খুবই সমাদৃত। একটি গল্পগ্রন্থের প্রকাশ আসন্ন। বাংলা কাব্যসাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্য ‘শিলিগুড়ি জাংশন’ পত্রিকা ২০২২ সালে তাঁকে ‘কবি সমর চক্রবর্তী স্মারক সম্মান’ প্রদান করে।
তারিখে না–লেখা দিন
পরের দিন আসে তার পরের দিন
আজ হল আজ
এমনই সরল ছিল ভাবনাগুলি জীবনে একদিন
যেমন, দুই যোগ দুই সমান চার
এখন অবশ্য জেনে গেছি
পরের দিন অনেক সময়ে আগেই এসে যায়
কিংবা গতকাল আসেনি এখনও
তাতে অবশ্য বেঁচে থাকাটা সহজ হয়ে যায়নি
ক্যালেন্ডারে তো ওভাবে লেখা যায় না
খাজনা আদায়ের সুবিধে হবে না মোটে
অবসরের পর আমি পেনশনভোগী হব
কবে মরে গেছি এখন মনে নেই



