Wednesday, December 6, 2023
HomeTop Newsমিঠে জলে ইলিশের দেখা নেই, টনে টনে জালবন্দি সাগরের রুপালি ফসলই ভরসা...

মিঠে জলে ইলিশের দেখা নেই, টনে টনে জালবন্দি সাগরের রুপালি ফসলই ভরসা খাদ্যরসিকদের   

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ পদ্মায় মিলছে না ইলিশ, অথচ এপার বাংলার মোহনায় মৎস্যজীবীদের জালে এখন ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ। কাকদ্বীপ, সাগর, নামখানা, ডায়মন্ডহারবার থেকে শুরু করে দিঘা মোহনা সর্বত্রই একই ছবি দেখা যাচ্ছে। সমুদ্র থেকে ট্রলারে করে টন টন ইলিশ প্রতিদিন আসছে মৎস্যবন্দরগুলিতে। তাই এখন খুশিতে মুখে চওড়া হাসি মৎস্যজীবী থেকে খাদ্যরসিকদের।

মাছ ধরার মরশুমের শুরুতেই সাফল্য। ঝাঁকে ঝাঁকে মৎস্যজীবীদের জালে বন্দি হচ্ছে রুপালি ফসল। কাকদ্বীপ, সাগর, নামখানা, ডায়মন্ডহারবার থেকে শুরু করে দিঘা মোহনা সর্বত্রই একই চিত্র। সোমবার সকালে রেকর্ড পরিমান ইলিশ আসল নামখানা মৎস্যবন্দরে। এদিন নামখানায় দুশোর বেশি ট্রলারে এল দু’হাজার কেজি ইলিশ মাছ। এই বিষয়ে মৎস্যজীবীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত বাজারে এসেছে দু’হাজার টন ইলিশ মাছ। ইলিশ শিকারে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল প্রায় আড়াই হাজার ট্রলার। প্রথমে ৪০০ টন ইলিশ ঢোকে। রবিবার এসেছে আরও প্রায় ২০০ টন ইলিশ। কিন্তু এখানে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেটি হল—মোহানার মিষ্টি জলের ইলিশ এখনও মেলেনি। তাই ধরা পড়া ইলিশের ততটা স্বাদ নেই যতটা মিঠে জলের ইলিশে পাওয়া যায়। মৎস্যজীবীরা আশাবাদী, আগামী কয়েকদিনেই পাওয়া যাবে মিঠে জলের ইলিশ।

প্রতিদিন টনে টনে ইলিশ বাংলায় আসলেও সস্তায় মিলছে না রূপোলি ফসল। এই অভিযোগ সর্বত্রই। ইলিশ যা এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে সেগুলির দাম বড় হলে ১২০০ টাকা ছোট হলে ৮০০ টাকা। সবটাই ওজনের উপর নির্ভর করে দাম ঠিক করা হচ্ছে।

কাকদ্বীপ মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক বিজন মাইতির কথায়, ‘‌জলের স্রোত বাংলাদেশ থেকে ভারতের দিকে বয়ে চলেছে। তাতে ইলিশের ঝাঁক এদিকে বেশি আসছে। বৃষ্টিও ভাল হচ্ছে। সঙ্গে বইছে পুবালি বাতাস। সব মিলিয়ে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে এখন ইলিশ ধরার ক্ষেত্রে। তবে আরও বেশি পরিমাণ মাছ উঠবে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী কয়েকদিনে আরও ইলিশ জালে বন্দি হবে বলে মনে করছেন মৎস্যজীবীরা। যা আগামী ৩–৪ বছর ধরে চলা ইলিশের খরা কাটাতে সক্ষম হবে।’‌

Sandip Sarkar
Sandip Sarkarhttps://uttarbangasambad.com/
Sandip Sarkar Reporter based in Darjeeling district of West bengal. He Worked in Various media houses for the last 22 years, presently working in Uttarbanga Sambad as Sr Sub Editor.
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments