মহম্মদ আশরাফুল হক, গোয়ালপোখর: হরিয়ানা পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করলেন উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) গোয়ালপোখরের (Goalpokhar) পরিযায়ী শ্রমিক জুনেদ আলম। তিনি গত বুধবার ভাঙা পা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এক সপ্তাহ পর বুধবার জুনেদ গোয়ালপোখর থানায় কার্নালের সিভিল লাইন থানার পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। উত্তর দিনাজপুর জেলার পরিযায়ীদের মধ্যে এই প্রথম কেউ হরিয়ানা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন। গোয়ালপোখর থানার তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে।
‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে হরিয়ানা, দিল্লি, ওডিশায়। গোয়ালপোখর এলাকার বহু পরিযায়ী হেনস্তার শিকার হয়েছেন।


সোলপাড়ার বাসিন্দা জুনেদ আলমকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে হরিয়ানার কার্নালের সিভিল লাইন থানার বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, পনেরো বছর ধরে পানিপথের কার্পেট ফ্যাক্টরিতে কাজ করছেন জুনেদ। এতদিন কোনও সমস্যা হয়নি। অভিযোগ, গত ২৪ জুলাই বাংলাদেশি সন্দেহে হরিয়ানা পুলিশ জুনেদকে থানায় তুলে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাঁকে থানায় আটকে রাখা হয়। চলে নির্যাতন।
জুনেদের কথায়, ‘কয়েকজন পুলিশকর্মী আমার পায়ের উপর চড়ে একটি পা ভেঙে দেন। আমি বারবার বলেছি, আমি ভারতীয়, পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। দয়া করে মারবেন না। কিন্তু ওঁরা তাতে কান দেননি। জোর করছিলেন, যাতে আমি নিজেকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিই।’ তাঁর সংযোজন, ‘আমার পা ভাঙা সত্ত্বেও ওঁরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেননি। অবশেষে ২৬ তারিখ আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

