তুফানগঞ্জ, ৮ সেপ্টেম্বর : গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের অন্দরান ফুলবাড়ি-১ এবং ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের গঙ্গাবাড়ি এলাকার ৩০০ পরিবার তীব্র জলসংকটে ভুগছে। বেশ কয়েক বছর আগে পানীয় জলের পাইপলাইন পাতা হয়েছিল। রাস্তায় বসেছিল জলের কল। রয়েছে বাড়িতে বাড়িতে সংযোগ। শুরুতে হাতেগোনা সাতদিন জল পড়লেও তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত জল অমিল। গরমের হাত থেকে রেহাই পেতে নলকূপের আয়রনযুক্ত জলই অনেকের কাছে ভরসা। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত জলসমস্যা মেটানোর দাবি জানিয়েছেন।
অন্দরান ফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শুক্লা সরকার অধিকারী বলেন, ‘পাশেই রিজার্ভার তৈরি হচ্ছে। ওই রিজার্ভার থেকেই পানীয় জলের পরিষেবা দেওয়া হবে।’ জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের (পিএইচই) তুফানগঞ্জ শাখার সহকারী বাস্তুকার তরুব্রত রায় বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ননীগোপাল সরকারের কথায়, ‘বহু বছর আগে জলের পাইপলাইন ও ট্যাপকল বসলেও এখনও জল আসেনি। অনেক দূরে গিয়ে পানীয় জল সংগ্রহ করতে হয়। কখনও সময়ের অভাবে নলকূপের আয়রনযুক্ত জলই খেতে হয়। এজন্য মাঝেমধ্যেই পেটের সমস্যায় ভুগতে হয়।’ বাসিন্দা লব্যেশ্বরী বর্মনেরও একই বক্তব্য। কলের জল না পেয়ে অনেকেই বিকল্প পথ দেখেন। যাদের একটু অবস্থা ভালো তাঁরা জল কিনে খান। অনেকে জলকষ্ট সহ্য করতে না পেরে দু’কিলোমিটার দূর থেকে জল সংগ্রহ করে আনেন। ২০২৪ সালে সরকার ঘরে ঘরে জল আসার কথা ঘোষণা করলেও এখনও বহু পরিবার জল থেকে বঞ্চিত। গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে জানা গিয়েছে, পার্শ্ববর্তী ভান্ডিজিলাস এলাকায় জলের রিজার্ভার তৈরির কাজ চলছে। কাজ সম্পূর্ণ হলে ওখান থেকে পানীয় জলের পরিষেবা দেওয়া হবে। দ্রুত সমস্যা মেটানোর দাবি জোরালো হয়েছে।

