উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: আন্তর্জাতিক আঙিনায় ফের বড়সড় সাফল্য পেল পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যের গর্ব সুগন্ধী গোবিন্দভোগ (Gobindobhog Rice), তুলাইপাঞ্জি (Tulaipanji Rice) এবং কনকচূড় চালকে (Kanakchur Rice) খাদ্য-সংস্কৃতির ‘হেরিটেজ’ বা ঐতিহ্যবাহী তকমা দিল রাষ্ট্রপুঞ্জ। একইসঙ্গে জঙ্গলমহল ও পশ্চিমাঞ্চলের রুক্ষ জমিতে প্রাণ ফেরানো রাজ্য সরকারের ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পটিও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে। বুধবার সমাজমাধ্যমে এই সুখবর জানিয়ে বাংলার কৃষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংগঠন (FAO) বাংলার তিনটি বিশেষ চালকে এই বিশেষ সম্মান প্রদান করেছে। গোবিন্দভোগ: বর্ধমান, হুগলি, নদিয়া, বাঁকুড়া ও বীরভূমের জনপ্রিয় এই চাল এখন আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের অংশ। তুলাইপাঞ্জি: উত্তরবঙ্গের বিশেষত উত্তর দিনাজপুরের এই সুগন্ধী চালও বিশ্বস্বীকৃতি পেল। কনকচূড়: দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই চালকেও হেরিটেজ তকমা দেওয়া হয়েছে।
২০২০ সালে চালু হওয়া ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পটি মূলত রুক্ষ ও অনাবাদি জমিতে চাষের উপযোগী পরিবেশ তৈরির জন্য পরিচিত। ভূমি, সেচ এবং পঞ্চায়েত দফতরের যৌথ প্রচেষ্টায় পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে এক-ফসলি বা পতিত জমিকে চাষযোগ্য করা হয়েছে। নতুন পুকুর খনন ও উন্নত সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে যে পরিবর্তন এসেছে, তাকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের এক যোগ্য উদ্যোগ হিসেবে মান্যতা দিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।
রাষ্ট্রপুঞ্জের ডিরেক্টর জেনারেলের পাঠানো শংসাপত্রগুলি শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রী (CM Mamata Banerjee) লিখেছেন, ‘এটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ সম্মান। এই স্বীকৃতি আমি গ্রামবাংলার মানুষ এবং আমাদের কঠোর পরিশ্রমী কৃষকদের উৎসর্গ করছি।’

